Nothing Phone 4a Price Hike: Nothing কোম্পানি ভারতে তাদের জনপ্রিয় Nothing Phone (4a) এবং Nothing Phone (4a) Pro-এর দাম আবারও বাড়িয়েছে। গত দুই মাসের মধ্যে এটি দ্বিতীয়বারের মতো দাম বাড়লো। নতুন দাম কার্যকর হবে 1 জুন 2026 থেকে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্ব বাজারে RAM ও স্টোরেজ চিপের সংকট এবং মেমরির দাম বাড়ার কারণেই কোম্পানি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধু Nothing নয়, চলতি বছরে Xiaomi, POCO, Motorola-সহ একাধিক স্মার্টফোন ব্র্যান্ডও তাদের ডিভাইসের দাম বাড়িয়েছে।
কোম্পানি Nothing Phone (4a)-এর ক্ষেত্রে প্রতিটি ভ্যারিয়েন্টে 3,000 টাকা পর্যন্ত দাম বাড়িয়েছে। এই ফোনটি লঞ্চ করার সময় দাম ছিল 31,999 টাকা। এখন পর্যন্ত এর দাম মোট 6,000 টাকা বেড়েছে।
Variant
পুরনো দাম
নতুন দাম
8GB + 128GB
Rs 34,999
Rs 37,999
8GB + 256GB
Rs 37,999
Rs 40,999
12GB + 256GB
Rs 40,999
Rs 43,999
Nothing Phone 4a Pro-এর দাম এখন 50,000 টাকা
এই ফোনটির প্রতিটি ভ্যারিয়েন্টের দাম সরাসরি 5,000 টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এই বছর মার্চ মাসে Phone (4a) Pro-এর বেস ভ্যারিয়েন্ট 39,999 টাকায় লঞ্চ হয়েছিল। মাত্র তিন মাসের মধ্যে ফোনটির দাম মোট 10,000 টাকা বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে Nothing Phone (4a) Pro মডেলে।
বিশ্ব বাজারে RAM এবং স্টোরেজ চিপের ঘাটতির কারণে স্মার্টফোন নির্মাতাদের উৎপাদন খরচ অনেক ভাবে বেড়েছে। এর প্রভাব এখন দেখা যাচ্ছে। Nothing-এর পাশাপাশি Xiaomi, POCO এবং Motorola-ও সম্প্রতি Redmi Note 15 Pro, POCO C85 এবং Motorola Edge 70 Pro-এর মতো একাধিক মডেলের দাম বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক মাসেও যদি মেমরি চিপের সরবরাহ পরিস্থিতির যদি উন্নতি না হয়, তাহলে আরও কিছু স্মার্টফোনের দাম বাড়তে পারে।
Redmi Turbo 5 India Launch: Xiaomi-এর জনপ্রিয় সাব-ব্র্যান্ড Redmi শীঘ্রই ভারতের বাজারে তাদের নতুনRedmi Turbo 5 স্মার্টফোনটি লঞ্চ করতে চলেছে। Redmi-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী ২ জুন ভারতের বাজারে এই নতুন ডিভাইসটি লঞ্চ করা হবে। লঞ্চ ইভেন্টেই ফোনটির সম্পূর্ণফিচার, স্পেসিফিকেশন এবং দাম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে। বিভিন্ন টিজার ও লিক রিপোর্ট অনুযায়ী, Redmi Turbo 5 ফোনটি গেমিং ও হাই-পারফরম্যান্স লক্ষ্য করেই তৈরি করা হয়েছে।।
Redmi Turbo 5 India Launch
কোম্পানি এখনও ফোনটির লঞ্চ ডেট আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি, তবে Redmi তাদের অফিসিয়াল X (Twitter) হ্যান্ডেলের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে যে আগামী 2 জুন একটি ইভেন্টের আয়োজন করা হবে, যেখানে Redmi Turbo 5-কে সামনে আনা হবে। ফোনটির সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন প্রকাশ না হলেও, ধারণা করা হচ্ছে এই ইভেন্টেই ডিভাইসটির ডিজাইন, লুক, প্রধান ফিচার এবং হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। বিভিন্ন রিপোর্টে ইঙ্গিত মিলেছে যে, Redmi Turbo 5 ফোনটি পারফরম্যান্স ও গেমিং অভিজ্ঞতা নিয়ে বাজারে আসতে পারে। 2 জুনের ঘোষণার পর Redmi ফোনটির ভারতীয় দাম, স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্ট এবং সেলের তারিখ প্রকাশ করতে পারে।
Redmi Turbo 5 Specifications
বিভিন্ন লিক ও রিপোর্ট অনুযায়ী, ফোনটি প্রথমে চীনের বাজারে লঞ্চ হবে এবং পরে একই স্পেসিফিকেশন নিয়ে ভারতের বাজারেও আত্মপ্রকাশ করতে পারে। ফোনটির বড় আকর্ষণ হতে পারে এর নতুন MediaTek Dimensity 8500 Ultra চিপসেট। রিপোর্ট অনুযায়ী, অক্টা-কোর আর্কিটেকচারের এই প্রসেসরটি 3.4GHz পর্যন্ত ক্লক স্পিড অফার করতে সক্ষম। গ্রাফিক্স পারফরম্যান্সের জন্য এতে থাকতে পারে Mali-G720 GPU।
Redmi Turbo 5 India Launch: সফটওয়্যার ও পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রেও Redmi Turbo 5 ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ কিছু বড় আপগ্রেড নিয়ে আসতে পারে। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ফোনটি Android 16 ভিত্তিক HyperOS 3 অপারেটিং সিস্টেমে চলবে। গেমিংপ্রেমীদের কথা মাথায় রেখে Redmi এই ফোনে 3D Ice-Cooling System ব্যবহার করতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে গেম খেললেও ডিভাইসেটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই কুলিং প্রযুক্তি কাজ করবে। চীনের বাজারে ডিভাইসটি LPDDR5X Ultra RAM-সহ লঞ্চ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভারতে একই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে।
Built to last longer. Built for turbo speed.
The ultimate performance machine hits the track on 2nd June, 2026. Stay tuned for the #REDMITurbo5, it's #ReadyWhenYouAre.
লিক হওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফোনটিতে 6.59 ইঞ্চির বড় AMOLED ডিসপ্লে দেওয়া হতে পারে, যা 2756 × 1268 পিক্সেল রেজোলিউশন সাপোর্ট করবে। এই প্রিমিয়াম AMOLED প্যানেলটি 120Hz রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করবে। ডিসপ্লেতে থাকতে পারে 3840Hz PWM Dimming প্রযুক্তি, যা কম আলোতে স্ক্রিন ব্যবহার করার সময় চোখের উপর চাপ কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়া ফোনটির 3500 nits Peak Brightness থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
ব্যবহারিক সুবিধার জন্য Redmi Turbo 5-এWet Hand Touch 2.0 ফিচারও দেওয়া হতে পারে। নিরাপত্তার জন্য ফোনটির ডিসপ্লের নিচে 3D Ultrasonic In-Display Fingerprint Sensor ব্যবহার করা হতে পারে। ফটোগ্রাফির দিক থেকে Redmi Turbo 5 5G ফোনটির পিছনে ডুয়েল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ দেওয়া হয়েছে।
চীনে লঞ্চ হওয়া মডেল অনুযায়ী, ডিভাইসটির প্রধান ক্যামেরা হিসেবে রয়েছে 50 মেগাপিক্সেলের Sony IMX882 সেন্সর, OIS সাপোর্ট করে। প্রাইমারি ক্যামেরার সঙ্গে রয়েছে 8 মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স, যা f/2.2 অ্যাপার্চার সাপোর্ট করে। সেলফি তোলার জন্য ফোনটির সামনে 20 মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে।
Redmi এই ডিভাইসে 7560mAh ব্যাটারি ব্যবহার করেছে, যা দীর্ঘ সময় চার্জ ছাড়াই ব্যবহার করার সুবিধা দিতে পারে। চীনে লঞ্চ হওয়া মডেলে এই বড় ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে এবং ভারতের বাজারেও একই ব্যাটারি ক্যাপাসিটি সহ ফোনটি আনা হবে। চার্জিংয়ের ক্ষেত্রেও Redmi Turbo 5 ফোনটিতে 100W ওয়্যার্ড ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট রয়েছে। এছাড়াও ডিভাইসটি 27W ওয়্যার্ড রিভার্স চার্জিং সাপোর্ট করে। চীনে লঞ্চ হওয়া মডেল অনুযায়ী, স্মার্টফোনটিতে IP66, IP68, IP69 এবং IP69K রেটিং দেওয়া হয়েছে। এছাড়া Redmi Turbo 5-এ DropResistance Technology-ও ব্যবহার করা হয়েছে।
Redmi ভারতের বাজারে তাদের নতুন Redmi Turbo 5 স্মার্টফোনটি লঞ্চ করতে চলেছে।
Redmi Turbo 5-এর দাম কত হতে পারে?
কোম্পানি এখনও ফোনটির অফিসিয়াল দাম ঘোষণা করেনি, তবে বিভিন্ন রিপোর্ট এবং চীনের বাজার দেখে অনুমান করা হচ্ছে যে ভারতেও এটি 30,000 থেকে 35,000 টাকার মধ্যে লঞ্চ হতে পারে।
Huawei আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে আগামী 1 জুন চীনের বাজারে তাদের নতুন Huawei Nova 16 series-এর স্মার্টফোন লঞ্চ করা হবে। লঞ্চের আগেই Huawei Nova 16 Pro মডেলের ডিজাইন এবং নতুন একটি কালার অপশন ইতিমধ্যেই টিজ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ফোনটির প্রথম ঝলক সামনে এসেছে। প্রকাশ্যে আসা টিজার অনুযায়ী, Nova 16 Pro স্মার্টফোনটি প্রিমিয়াম ডিজাইন এবং স্টাইলিশ ফিনিশ নিয়ে বাজারে আসতে পারে। বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, এই সিরিজের অধীনে Huawei Nova 16, Huawei Nova 16 Pro এবং Huawei Nova 16 Pro Max, মোট তিনটি স্মার্টফোন লঞ্চ হতে পারে। যদিও কোম্পানির পক্ষ থেকে এখনও সমস্ত মডেলের স্পেসিফিকেশন অফিসিয়ালি প্রকাশ করা হয়নি, তবে ইতিমধ্যেই সম্ভাব্য ফিচার এবং ডিজাইন নিয়ে একাধিক লিক সামনে এসেছে। চলুন এবার বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক Huawei Nova 16 5G সিরিজের সম্ভাব্য ফিচার, ডিজাইন এবং লিক ডিটেইলস সম্পর্কে।
কোম্পানির শেয়ার করা টিজারের মাধ্যমে Huawei Nova 16 Pro স্মার্টফোনটির ডিজাইন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। ফোনটি Sky Blue এবং Gradient ফিনিশ সহ দেখা গেছে। ডিজাইনের দিক থেকে Huawei এবার ক্যামেরা মডিউলে বড় পরিবর্তন এনেছে। Nova 16 Pro-এর পিছনে নতুন ধরনের ক্যামেরা মডিউল ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে দুটি বড় সার্কুলার কাটআউট দেখা যাচ্ছে। প্রথম সার্কুলার অংশের ভিতরে তিনটি ক্যামেরা সেন্সর বসানো হয়েছে, এবং দ্বিতীয় কাটআউটের ভিতরে LED ফ্ল্যাশের পাশাপাশি আরও একটি অতিরিক্ত সেন্সর যোগ করা হয়েছে। এই সেন্সরটি ঠিক কী কাজ করবে, সে বিষয়ে Huawei এখনও কোনও অফিসিয়াল তথ্য প্রকাশ করেনি।
লিক এবং রিপোর্ট অনুযায়ী, Huawei Nova 16 সিরিজের স্ট্যান্ডার্ড Nova 16 এবং Nova 16 Pro মডেল একাধিক কালার অপশনে বাজারে আসতে পারে। এই দুটি স্মার্টফোনকে Black, White, Blue এবং Gradient ফিনিশ সহ লঞ্চ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। অন্যদিকে এই সিরিজের সবচেয়ে প্রিমিয়াম মডেল হল Huawei Nova 16 Pro Max-কে। এই টপ-এন্ড মডেলে Gradient ফিনিশ দেওয়া নাও হতে পারে। লিক অনুযায়ী, Nova 16 Pro Max শুধুমাত্র Black, White এবং Blue, এই তিনটি কালার অপশনে লঞ্চ করা হতে পারে।
হুয়াওয়ে নোভা ১৬ প্রো ম্যাক্স-এর ডিসপ্লে স্পেসিফিকেশন এবং হুয়াওয়ে নোভা ১৬ কিরিন ৯০২০ চিপসেট
এর আগেই বিভিন্ন রিপোর্টে Huawei Nova 16 Pro Max স্মার্টফোনের সম্ভাব্য স্পেসিফিকেশন সামনে এসেছিল। জানা যাচ্ছে, এই সিরিজের টপ-এন্ড মডেলে 6.84-ইঞ্চির 1.5K LTPO ডিসপ্লে ব্যবহার করা হতে পারে। LTPO প্যানেল থাকার কারণে ফোনটি adaptive refresh rate সাপোর্ট করতে পারে। পারফরম্যান্সের জন্য Nova 16 Pro Max-এ Huawei-এর শক্তিশালী Kirin 9000 সিরিজের চিপসেট ব্যবহার করা হতে পারে।
Huawei নোভা 16 সিরিজের 200 মেগাপিক্সেল ক্যামেরার পরীক্ষা
ক্যামেরার দিক থেকেও Huawei Nova 16 Pro Max সিরিজের সবচেয়ে শক্তিশালী স্মার্টফোন হয়ে উঠতে পারে। বিভিন্ন লিক থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফোনটিতে 200 মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা দেওয়া হতে পারে। জানা গেছে, এই ক্যামেরার সঙ্গে 1/1.28-ইঞ্চির বড় সেন্সর ব্যবহার করা হতে পারে। night photography এবং portrait shot-এর ক্ষেত্রে এই সেন্সর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ফোনটিতে Periscope Telephoto Lens যোগ করা হতে পারে। একইসঙ্গে Multispectral Sensor থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।
হুয়াওয়ে নোভা 16, 7,000এমএএইচ ব্যাটারির জীবনকাল
লিক অনুযায়ী, Huawei Nova 16 Pro Max-এ বিশাল 7000mAh ব্যাটারি দেওয়া হতে পারে, যা দীর্ঘক্ষণ ব্যবহার করার সুবিধা দেবে। এতে wireless charging ফিচারও সাপোর্ট করতে পারে বলে জানা গেছে।
বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, 1 জুন এই লঞ্চ ইভেন্টে কোম্পানি নতুন MatePad Pro Max ট্যাবলেট এবং Supernova সিরিজের স্মার্টওয়াচও লঞ্চ করতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত Huawei-এর পক্ষ থেকে এই ডিভাইসগুলির বিষয়ে কোনও অফিসিয়াল টিজার বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
Huawei Nova 16 series launch date
চীনের বাজারে Huawei Nova 16 সিরিজের অফিসিয়াল লঞ্চ ডেট ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এই আপকামিং সিরিজের ফিচার, ডিজাইন এবং স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসবে। তবে এখনও পর্যন্ত Huawei সমস্ত অফিসিয়াল স্পেসিফিকেশন প্রকাশ করেনি। আমরাও লঞ্চের দিন Huawei Nova 16 সিরিজের দাম, ফিচার, স্পেসিফিকেশন এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পোস্টের মাধ্যমে জানিয়ে দেব।
ভারতে Google Pixel 10 এখন অনেকটাই সস্তায় কেনার সুযোগ মিলছে। লঞ্চের প্রায় দশ মাসের মধ্যেই গুগলের এই প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনে বড় ডিসকাউন্ট ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে Amazon-এ ডিভাইসটি সরাসরি 15,000 টাকা ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ, লঞ্চ প্রাইসের তুলনায় ফোনটির দাম এখন অনেক কমে গেছে।
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মেমরি চিপের ঘাটতির কারণে স্মার্টফোনের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে Pixel 10-এর এই অফার অনেক ক্রেতার জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এল। যারা প্রিমিয়াম ক্যামেরা, স্মুথ পারফরম্যান্স এবং ক্লিন Android চান, তাদের জন্য এই ফোনটি বিকল্প হিসেবে ধরা হচ্ছে।
Google Pixel 10-এ মিলছে বড় ডিসকাউন্ট, কমল 15 হাজার টাকা
গত বছর আগস্টে ভারতে লঞ্চ হওয়া Google Pixel 10 লঞ্চের সময় স্মার্টফোনটির দাম রাখা হয়েছিল 79,999 টাকা। এই প্রিমিয়াম ফ্ল্যাগশিপ ফোনে 12GB RAM এবং 256GB অনবোর্ড স্টোরেজ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে Pixel 10-এর Obsidian (কালো) এবং Indigo (নীল) এই দুই কালার ভ্যারিয়েন্ট Amazon-এ 64,999 টাকায় লিস্টেড রয়েছে।
অর্থাৎ, ফোনটির উপর সরাসরি 15,000 টাকার ডিসকাউন্ট পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে কোনও এক্সচেঞ্জ অফারের প্রয়োজন নেই। এর পাশাপাশি Amazon Pay ICICI Bank ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে ক্রেতারা অতিরিক্ত 1,949 টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক সুবিধাও পেতে পারেন। বর্তমানে Google Pixel 10-এর Frost এবং Lemongrass এই দুই আকর্ষণীয় কালার ভ্যারিয়েন্টও Amazon-এ 65,500 টাকা এবং 65,999 টাকায় লিস্টেড থাকতে দেখা গিয়েছে।
স্পেসিফিকেশনের দিক থেকেও Google Pixel 10 ফোনটির সামনে রয়েছে 6.3-ইঞ্চির OLED ডিসপ্লে, যা 120Hz রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করে। ডিসপ্লেটি সর্বোচ্চ 3,000nits পর্যন্ত পিক ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। এছাড়াও এতে FHD+ রেজোলিউশন (1080 × 2424 পিক্সেল) এবং HDR10+ সাপোর্ট রয়েছে। স্ক্রিন সুরক্ষার জন্য Google এখানে Corning Gorilla Glass Victus 2 প্রোটেকশন ব্যবহার করেছে।
ফটোগ্রাফির দিক থেকেও স্মার্টফোনটিতে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ দেওয়া হয়েছে। এর প্রাইমারি ক্যামেরাটি 48 মেগাপিক্সেলের, যেখানে f/1.7 অ্যাপারচার, Dual Pixel PDAF এবং Optical Image Stabilization প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ফোনটিতে 120 ডিগ্রি Field of View সহ 13 মেগাপিক্সেলের ultrawide সেন্সর রয়েছে। এছাড়াও 5x optical zoom সাপোর্টেড 10.8 মেগাপিক্সেলের টেলিফটো ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। সেলফি এবং ভিডিও কলিংয়ের জন্য ফোনটির সামনে f/2.2 অ্যাপারচারযুক্ত 10.5 মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা রয়েছে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্মার্টফোনটি Android 23 পর্যন্ত মোট সাতটি বড় অপারেটিং সিস্টেম আপডেট পাবে। নিয়মিত সফটওয়্যার ও সিকিউরিটি আপডেট পাওয়ার কারণে ফোনটির পারফরম্যান্স এবং নিরাপত্তাও দীর্ঘদিন পর্যন্ত আপডেটেড থাকবে। পারফরম্যান্সের জন্য Pixel 10-এ Google-এর নিজস্ব Tensor G5 প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে, যা 3nm প্রসেস প্রযুক্তিতে তৈরি। পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য স্মার্টফোনটিতে 4,970mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য এতে 30W wired fast charging সাপোর্ট রয়েছে। এছাড়াও 15W Qi2-certified wireless charging সুবিধাও পাওয়া যাবে।
Motorola সম্প্রতি ভারতের বাজারে তাদের Motorola Edge 70 Pro স্মার্টফোনটি লঞ্চ করেছে। এর মধ্যেই কোম্পানি Edge 70 Series-এর আওতায় আরও একটি নতুন প্রিমিয়াম ডিভাইস আনার প্রস্তুতি শুরু করেছে। জানা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রই ভারতে Motorola Edge 70 Pro+ স্মার্টফোনটি লঞ্চ হতে পারে। ইতিমধ্যেই কোম্পানির পক্ষ থেকে ডিভাইসটি নিয়ে টিজিং শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম Flipkart-এ ফোনটির একটি মাইক্রোসাইটও লাইভ হয়েছে, যেখানে আসন্ন স্মার্টফোনটির ডিজাইন, প্রিমিয়াম লুক এবং কালার অপশন সম্পর্কে তথ্য সামনে এসেছে।
আসন্ন Motorola Edge 70 Pro+ স্মার্টফোনটি Edge 70 সিরিজের চতুর্থ মডেল হিসেবে বাজারে আসতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোম্পানির পক্ষ থেকে ফোনটির অফিসিয়াল লঞ্চের তারিখ কিংবা সম্পূর্ণ ফিচার ও স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি।
খুব শীঘ্রই ভারতে Motorola Edge 70 Pro+ স্মার্টফোনটি লঞ্চ হতে পারে।
Motorola Edge 70 Pro+ -এর ফিচার! তিনটি প্রিমিয়াম কালার ও ইউনিক ফিনিশে আসতে পারে
Flipkart-এ প্রকাশিত টিজার অনুযায়ী, ভারতে Motorola Edge 70 Pro+ স্মার্টফোনটি তিনটি কালার অপশনে লঞ্চ হতে পারে। Brown, Red এবং Teal। প্রতিটি ভ্যারিয়েন্টে আলাদা প্রিমিয়াম ফিনিশ ব্যবহার করা হতে পারে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, Brown ভ্যারিয়েন্টে থাকতে পারে Sculpted Wood Finish, Red ভ্যারিয়েন্টে Satin-Luxe Finish ব্যবহার করা হতে পারে, এছাড়াও Teal ভ্যারিয়েন্টে Twill-Inspired Finish থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
ডিজাইনের দিক থেকে Motorola Edge 70 Pro+ স্মার্টফোনটি অনেকটাই Edge 70 Pro মডেলের মতো দেখতে হতে পারে। প্রকাশ্যে আসা টিজার অনুযায়ী, ফোনটির পেছনের অংশে একটি স্টাইলিশ স্কয়ার-শেপ ক্যামেরা মডিউল দেখা যাবে। এই ক্যামেরা মডিউলের ভেতরে ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপের পাশাপাশি একটি LED ফ্ল্যাশ ইউনিট থাকতে পারে।
ক্যামেরা বিভাগের দিক থেকেও বড় আপগ্রেড দেখা যেতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ফোনটিতে 3.5X অপটিক্যাল জুম সাপোর্টেড 50 মেগাপিক্সেলের পেরিস্কোপ টেলিফটো ক্যামেরা দেওয়া হতে পারে, যা দূরের সাবজেক্টকেও আরও পরিষ্কারভাবে ক্যাপচার করতে সাহায্য করবে। ডিসপ্লের ক্ষেত্রে 6.8-ইঞ্চির বড় 144Hz AMOLED প্যানেল ব্যবহার করা হতে পারে। পারফরম্যান্সের জন্য ফোনটি MediaTek Dimensity 8500 Extreme প্রসেসরে চলতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
টিজারে আরও জানা গেছে যে, Motorola Edge 70 Pro+ স্মার্টফোনে উন্নত Sony LYT ক্যামেরা সেন্সর ব্যবহার করা হতে পারে। এর সঙ্গে 81mm ফোকাল লেংথ এবং OIS (Optical Image Stabilization) সাপোর্ট থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। OIS প্রযুক্তির কারণে ভিডিও রেকর্ডিং আরও স্টেবল ও স্মুথ হতে পারে।
Motorola Edge 70 Pro+ স্মার্টফোনে প্রিমিয়াম বিল্ড কোয়ালিটি দেখা যেতে পারে। ফোনটির ডান পাশে পাওয়ার বাটন এবং ভলিউম কন্ট্রোল বাটন রাখা হতে পারে। পাশাপাশি ডিভাইসে মজবুত মেটাল ফ্রেম ব্যবহার করার সম্ভাবনা রয়েছে।
ফোনের সামনের দিকে আধুনিক ‘হোল-পাঞ্চ’ ডিসপ্লে ডিজাইন দেখা যেতে পারে। এই কাটআউটের ভেতরে সেলফি ও ভিডিও কলিংয়ের জন্য ফ্রন্ট-ফেসিং ক্যামেরা থাকবে, ফলে স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও আরও আকর্ষণীয় হতে পারে ।
বিভিন্ন রিপোর্ট ও লিক অনুযায়ী, আসন্ন Motorola Edge 70 Pro+ স্মার্টফোনটি মূলত গ্লোবাল মার্কেটে লঞ্চ হওয়া Edge 70 Pro মডেলের একটি রিব্র্যান্ডেড সংস্করণ হতে পারে। অর্থাৎ, Motorola ভারতীয় বাজারের জন্য ডিভাইসটিকে নতুন নাম ও কিছু পরিবর্তনের সঙ্গে আনা হতে পারে। যদিও কোম্পানির পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করা হয়নি।
যদি এই রিপোর্টগুলি সত্যি হয়, তাহলে Motorola Edge 70 Pro+ স্মার্টফোনে প্রিমিয়াম ও ফ্ল্যাগশিপ-গ্রেড ফিচার দেখা যেতে পারে। লিক অনুযায়ী, ফোনটিতে ওয়্যারলেস চার্জিং এবং রিভার্স ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট থাকতে পারে। পাশাপাশি eSIM সাপোর্ট থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।
Motorola Edge 70 Pro+ স্মার্টফোনটি IP68 এবং IP69 রেটিং সহ আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ডিভাইসটি ধুলো এবং জল প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকতে। পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য এতে বড় 6500mAh ব্যাটারি ব্যবহার করা হতে পারে এবং দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য এতে 90W ফাস্ট ওয়্যার্ড চার্জিং সাপোর্ট থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
নতুন ট্যাবলেট ডিভাইস নিয়ে আলোচনা হলেই মনে পড়ে Lenovo নাম। ল্যাপটপের বাজার নিজের করে নেওয়ার পর এবার মোবাইল দুনিয়ায় পা রাখতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। Lenovo জানিয়েছে, তারা নিজেদের তৈরি স্মার্টফোন বাজারে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী 19 মে ‘Lenovo Legion Y70’ নামে ওই ফোনটি উন্মোচন করা হবে। লঞ্চের আগেই সংস্থাটি ফোনটির স্পেসিফিকেশন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে দিয়েছে।
Lenovo Legion Y70 ফিচার ও স্পেসিফিকেশন
প্রসেসর ও পারফরম্যান্স
Lenovo তাদের আসন্ন Legion Y70 মডেলটিতে কোয়ালকমের Snapdragon 8 Gen 5 চিপসেট ব্যবহার করতে পারে। এই 3 ন্যানোমিটার প্রক্রিয়ায় তৈরি এই অক্টা-কোর প্রসেসরের সর্বোচ্চ ক্লক স্পিড হবে 3.8 গিগাহার্জ। দীর্ঘক্ষণ গেমিং বা হেভি ইউজের সময় ফোন গরম হয়ে যাওয়া ঠেকাতে এতে 5,500mm² ভেপর চেম্বার রাখা হবে।
ডিসপ্লে ফিচার
Lenovo Legion Y70 স্মার্টফোনে প্রিমিয়াম Q10 LTPO প্রযুক্তি সমর্থিত AMOLED ডিসপ্লে ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানি। যদিও এখনও পর্যন্ত ডিসপ্লের সঠিক সাইজ প্রকাশ করা হয়নি, তবে অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী ফোনটি 2K রেজোলিউশন এবং 144Hz হাই রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করবে। পাশাপাশি এই ডিসপ্লেতে থাকতে পারে 7000nits পর্যন্ত পিক ব্রাইটনেস, 360Hz টাচ স্যাম্পলিং রেট, Dolby Vision এবং DC Dimming-এর মতো ফ্ল্যাগশিপ-গ্রেড ফিচার।
ক্যামেরা সেটআপ
ফটোগ্রাফির জন্য Lenovo Legion Y70 স্মার্টফোনে শক্তিশালী ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা সেটআপ দেখা যেতে পারে। কোম্পানির শেয়ার করা তথ্য অনুযায়ী, ফোনটিতে 50 মেগাপিক্সেল Sony LYT710 OIS প্রাইমারি সেন্সর দেওয়া হবে, যা কম আলোতেও বিস্তারিত ও স্ট্যাবল ছবি তুলতে সাহায্য করবে। এর সঙ্গে থাকবে 8 মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-ওয়াইড লেন্স এবং একটি 2-in-1 অক্সিলিয়ারি সেন্সর। অন্যদিকে সেলফি ও ভিডিও কলিংয়ের জন্য ফোনের সামনে থাকতে পারে 32 মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা।
কোম্পানির বক্তব্য অনুযায়ী Lenovo Legion Y70 স্মার্টফোনে ফ্ল্যাগশিপ-গ্রেড LPDDR5X Ultra RAM ব্যবহার করা হতে পারে, যা স্মুথ মাল্টিটাস্কিং ও দ্রুত অ্যাপ লোডিংয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেবে। শক্তিশালী Snapdragon প্রসেসরের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহারকারীরা পাবেন আরও ফাস্ট ও ল্যাগ-ফ্রি এক্সপেরিয়েন্স। পাশাপাশি হাই-স্পিড ডাটা রিড ও রাইটের জন্য এতে থাকছে নেক্সট-জেন UFS 4.1 স্টোরেজ টেকনোলজি।
ডিজাইন ও কালার
কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, আসন্ন Lenovo Legion Y70 স্মার্টফোনটি স্টাইলিশ Carbon Black এবং প্রিমিয়াম Ice Soul White, এই দুই আকর্ষণীয় কালার অপশনে বাজারে আসতে পারে।
ব্যাটারি ও চার্জিং
পাওয়ার ব্যাকআপের দিক থেকেও Lenovo Legion Y70 স্মার্টফোনটি বড় চমক দিতে পারে। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, ফোনটিতে বিশাল 8000mAh ব্যাটারি দেওয়া হবে, যা দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারে নির্ভরযোগ্য ব্যাকআপ দিতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য এতে 90W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট থাকবে। এছাড়াও ডিভাইসটিতে reverse charging ফিচার থাকবে। প্রয়োজন হলে অন্যান্য গ্যাজেটও চার্জ করা যাবে।
ফোনটিকে ধুলো ও জল থেকে বাঁচাতে IP66, IP68 ও IP69 রেটিং দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই চীনের বাজারে এ ফোনের প্রি-রিজার্ভ শুরু হয়ে গেছে।
Lenovo Legion Y70 লঞ্চের তারিখ
আগামী 19 মে Lenovo Legion Y70 স্মার্টফোনটি আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হওয়ার পর ফোনটির সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন, দাম, ফিচার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আমরা আলাদা পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরব।
এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসে Vivo একসঙ্গে তিনটি ফোন লঞ্চ করা হয়েছিল। V70, V70 FE আর V70 Elite। এবার কোম্পানি তাদের পরবর্তী প্রজন্মের ফোন আনার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে। আর লঞ্চের আগেই ফাঁস হয়ে গেছে Vivo V80 5G-এর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য! বেশ কয়েকটি লিকের মাধ্যমে এই ফোনের স্পেসিফিকেশন সামনে এসেছে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক, Vivo V80-এ কী কী চমক অপেক্ষা করছে!
Vivo V80 5G সিরিজের দাম কত পড়বে!
এখনও vivo আনুষ্ঠানিকভাবে vivo V80 5G সিরিজের দাম ঘোষণা করেনি। তবে একাধিক লিক ও রিপোর্ট অনুযায়ী, আগের Vivo V70 5G সিরিজের দামের সঙ্গে তুলনা করলে, নতুন V80 সিরিজ প্রিমিয়াম মিড-রেঞ্জ সেগমেন্টেই আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
Vivo V70 সিরিজের বেস মডেলটি 8GB RAM আর 256GB স্টোরেজ নিয়ে নিতে চান, তাহলে পড়বে 45,999 টাকা। আর টপ ভেরিয়েন্ট 12GB RAM + 256GB স্টোরেজ পাবেন 49,999 টাকায়। Vivo V70 Elite-এই ফোনটা একটু প্রিমিয়াম। 8GB RAM + 256GB স্টোরেজ অপশনটির দাম 51,999 টাকা। আর যদি 12GB RAM চান, তাহলে 256GB স্টোরেজসহ দাম পড়বে 56,999 টাকা। আর সবচেয়ে হাই-এন্ড 512GB স্টোরেজ ভেরিয়েন্টটির দাম রাখা হয়েছে 61,999 টাকা। আর যাঁরা একটু কম বাজেটে Vivo V70 সিরিজ নিতে চান, তাঁদের জন্য Vivo V70 FE এই ফোনের অপশন হলো 8GB RAM + 128GB স্টোরেজ, দাম মাত্র 37,999 টাকা। স্টোরেজ একটু বাড়িয়ে 256GB নিলে দাম হবে 40,999 টাকা। আর যদি 12GB RAM আর 512GB স্টোরেজের বড় প্যাকেজ চান, তাহলে দাম পড়বে 44,999 টাকা।
Vivo V80 5G কবে আসবে?
এখন পর্যন্ত Vivo কিন্তু অফিসিয়ালি V80 সম্পর্কে জানা যায়নি। যা জানা গেছে, সব কিছুই লিকের মাধ্যমে। লিক অনুযায়ী, ধারণা করা হচ্ছে 2026 সালের তৃতীয় কোয়ার্টারে ভারতে এই ফোনটি আসতে পারে। আপাতত লিকের এই ডিটেইলসগুলো শুধু লিক হিসেবে ধরা উচিৎ। নতুন কিছু জানা গেলে আপনাদের সবার আগে জানিয়ে দেব!
Vivo V80 5G-এর ফিচার! 200MP ক্যামেরা থেকে 7000mAh ব্যাটারি
প্রসেসর ও পারফরম্যান্স
লিক অনুযায়ী Vivo V80 5G এই ফোনে থাকতে পারে Snapdragon 8s Gen 3 প্রসেসর। এই চিপটি 4 ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে তৈরি এবং 3.0GHz ক্লক স্পিডে কাজ করে। এই একই প্রসেসর আগে Vivo V70 Elite-এও দেওয়া হয়েছিল। এর পাশাপাশি ফোনে থাকছে LPDDR5X RAM এবং UFS 4.1 স্টোরেজ সাপোর্ট। এর ফলে মাল্টিটাস্কিং হবে আগের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত হবে । আর অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে থাকবে Android 16 ভিত্তিক OriginOS।
ক্যামেরা
Vivo V80 5G-এ থাকতে পারে 200MP প্রাইমারি ক্যামেরা, সঙ্গে থাকবে 50MP টেলিফটো লেন্স। আর সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য সামনে থাকতে পারে 50MP ফ্রন্ট ক্যামেরা।
ডিসপ্লে
লিক অনুযায়ী, এই ফোনে থাকতে পারে 6.59 ইঞ্চির বড় স্ক্রিন, এই একই ডিসপ্লে vivo V70-এর মতোই। স্ক্রিনে থাকবে 1.5K রেজোলিউশন আর 120Hz রিফ্রেশ রেট, মানে স্ক্রলিং থেকে গেমিং হবে একদম মসৃণ। এই স্ক্রিনের পিক ব্রাইটনেস হতে পারে 5000 nits পর্যন্ত!আর চোখের যত্নের জন্য রয়েছে 4320Hz PWM ডিমিং, যা অনেকক্ষণ ফোন ব্যবহারেও চোখে ক্লান্তি আসতে দেবে না। ফোন আনলক করার জন্য 3D Ultrasonic ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর -এর মতো ফিচার থাকবে।
ব্যাটারি
পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য Vivo V80 5G-এ থাকতে পারে 7000mAh-এর বিশাল ব্যাটারি। মনে করিয়ে দিই, V70 এবং V70 Elite-এ ছিল 6500mAh ব্যাটারী। অর্থাৎ এটা কতটা বড় আপগ্রেড বুঝতেই পারছেন! আর সঙ্গে থাকবে পারে Bypass Charging টেকনোলজি, যা গেমিং বা হেভি ইউজের সময় ব্যাটারির উপর চাপ কমাবে এবং ফোন ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করবে।
Oppo Find X9 Ultra Vs Vivo X300 Ultra: 2026 সালে ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের দুনিয়ায় দুটি নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে, Oppo Find X9 Ultra এবং Vivo X300 Ultra। একদিকে Hasselblad-এর সঙ্গে তৈরি dual 200MP ক্যামেরা সিস্টেম নিয়ে আসছে Oppo, আর অন্যদিকে Zeiss Master Lenses-এর ক্ষমতা নিয়ে মাঠে নামছে Vivo। Display থেকে Camera, Processor থেকে ব্যাটারী, ভারতে লঞ্চ তারিখ এবং দাম তুলনা করব।
Oppo Find X9 Ultra Vs Vivo X300 Ultra Full Specifications
Oppo Find X9 Ultra
Vivo X300 Ultra
Processor
Snapdragon 8 Elite Gen 5
Snapdragon 8 Elite Gen 5
Display
6.82″ 144Hz 2K AMOLED
6.82″ QHD+ 144Hz OLED
Battery
7,050 mAh
6,600 mAh
Charging
100W Wired / 50W Wireless
100W Wired / 40W Wireless
Camera (Main)
200MP Sony LYT-901
200MP Main + 200MP Periscope
OS
ColorOS 16 (Android 16)
OriginOS 6 (Android 16)
Water Resistance
IP69
তথ্যজানাযায়নি
India Price
1,02,000 টাকা
1,29,999–1,70,000 টাকা
Oppo Find X9 Ultra Vs Vivo X300 Ultra Display ও Design
Display-এর ক্ষেত্রে দুটি ফোনই 6.82 ইঞ্চির বড় স্ক্রিন নিয়ে এসেছে, তবে কিছুটা পার্থক্য আছে। Oppo Find X9 Ultra-তে রয়েছে একটি 2K ProXDR AMOLED প্যানেল, যার রিফ্রেশ রেট 144Hz। এই স্ক্রিনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল 5,000 নিট পিক ব্রাইটনেস। Vivo X300 Ultra-তে আছে QHD+ LTPO OLED ডিসপ্লে, একই 144Hz রিফ্রেশ রেট। LTPO প্রযুক্তির কারণে ব্যাটারি খরচ তুলনামূলকভাবে কম হয়।
Design-এ আসলে, Oppo Find X9 Ultra তার ক্লাসিক Hasselblad ক্যামেরার অনুপ্রেরণায় তৈরি ডিজাইন নিয়ে এসেছে। Polar Glacier, Rongsha Canyon এবং চামড়ার টেক্সচারের Tundra, তিনটি রঙ পাওয়া যাবে। বিল্ড কোয়ালিটিতে রয়েছে Victus 2 Glass। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল IP69 রেটিং, যা কনজ্যুমার স্মার্টফোনে ধুলো ও জল-থেকে সুরক্ষা দেয়।
Oppo Find X9 Ultra Vs Vivo X300 Ultra Processor ও Performance
Processor-এর দিক থেকে Oppo Find X9 Ultra এবং Vivo X300 Ultra, দুটিফোনেই Qualcomm Snapdragon 8 Elite Gen 5 চিপসেট ব্যবহার করে। এই চিপসেট সবচেয়ে শক্তিশালী প্রসেসরগুলোর একটি। Gaming, AI processing, 4K video editing এই প্রসেসর অতুলনীয় পারফরম্যান্স দেয়। Vivo X300 Ultra-তে অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে রয়েছে 5,800 mm² ভেপার চেম্বার কুলিং সিস্টেম, যা দীর্ঘক্ষণ 4K 120fps রেকর্ডিং বা গেমিংয়ের সময় ফোনকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
Oppo Find X9 Ultra Vs Vivo X300 Ultra RAM ও Storage Details
Oppo Find X9 Ultra-র বেস মডেলটি 12GB RAM + 256GB Storage নিয়ে আসে। আরোবেশি ভেরিয়েন্টেও ভালো অপশন পাওয়া যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। Vivo X300 Ultra-র RAM ও Storage কনফিগারেশন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনো সম্পূর্ণভাবে প্রকাশিত হয়নি, তবে এটি একটি ফ্ল্যাগশিপ ফোন হওয়ায় 12GB এবং 16GB RAM আসার সম্ভাবনা রয়েছে। দুটি ফোনই UFS 4.0 স্টোরেজ ব্যবহার করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Oppo Find X9 Ultra Vs Vivo X300 Ultra Battery Capacity ও Backup
Battery-র দিক থেকে Oppo Find X9 Ultra ফোনে রয়েছে 7,050 mAh Silicon-Carbon ব্যাটারি। সিলিকন-কার্বন প্রযুক্তির কারণে একই আকারে লিথিয়াম-আয়নের তুলনায় বেশি শক্তি সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে। Vivo X300 Ultra-তে রয়েছে 6,600 mAh ‘BlueVolt’ ব্যাটারি। Charging-এর ক্ষেত্রে দুটি ফোনই 100W ওয়্যার্ড ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে।
Oppo Find X9 Ultra Vs Vivo X300 Ultra Launch Date India
Oppo Find X9 Ultra 21 এপ্রিল 2026-এ গ্লোবাল মার্কেটে আত্মপ্রকাশ করেছে। ভারতে এই ফোনের লঞ্চ মে মাসে 2026-এ আসারসম্ভবনাআছে। Oppo এই ফোনটিকে তাদের প্রথম Ultra মডেল হিসেবে চিনের বাইরে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ করছে। Vivo X300 Ultra চিনে 30 মার্চ 2026-এ লঞ্চ হয়েছে। ভারতে এর আনুষ্ঠানিক লঞ্চের তারিখ 6 মে 2026-এআসছে। এটিও Vivo-র প্রথম Ultra মডেল যা ভারতে আসছে, ফলে ক্রেতাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
Oppo Find X9 Ultra Vs Vivo X300 Ultra Price in India
Oppo Find X9 Ultra-র চিনা বাজারে বেস মডেলের দাম প্রায় ¥7,499, যা ভারতীয় টাকায় 1,02,000-এর কাছাকাছি। UK-তে শুরুর দাম £1,449, ভারতে 1,10,000 থেকে 1,20,000-এর মধ্যে দাম পড়তে পারে বলে। Vivo X300 Ultra- বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী ভারতে এর দাম 1,29,999 থেকে 1,70,000-এর মধ্যে থাকতে পারে। এই দাম বিভিন্ন RAM ও Storage ভেরিয়েন্টের উপর নির্ভর করে।
Vivo X300 FE Price in India: Vivo-র দুটি নতুন ফোন, Vivo X300 Ultra এবং Vivo X300 FE অপেক্ষা ও জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, আগামী 6 May 2026 তারিখে ভারতে লঞ্চ হবে এই দুটি হ্যান্ডসেট। একদিকে Vivo X300 FE তার সাশ্রয়ী মূল্য ও শক্তিশালী ক্যামেরা সেটআপ দিয়ে মধ্যবিত্ত টেক-প্রেমীদের মন জয় করার লক্ষ্যে মাঠে নামছে। অন্যদিকে Vivo X300 Ultra তার 200MP ক্যামেরা, Snapdragon 8 Elite Gen 5 চিপ এবং 2K ডিসপ্লে নিয়ে সরাসরি ফ্ল্যাগশিপ সেগমেন্টে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে Samsung, Apple ও OnePlus-কে।এই প্রতিবেদনে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব দুটি ফোনের সম্পূর্ণ specifications, ক্যামেরা ফিচার, ব্যাটারি পারফরম্যান্স এবং Vivo X300 FE price in India ঠিক কত হতে পারে।
Vivo X300 FE price in India ফাঁস! iPhone-কে টক্কর দেবে এই দামে?
Vivo X300 Ultra এবং Vivo X300 FE Full Specifications
Vivo X300 FE ফোনটিতে রয়েছে Qualcomm Snapdragon 8 Gen 5 প্রসেসর, যা এখন পর্যন্ত বাজারে আসা অন্যতম শক্তিশালী মোবাইল চিপসেট। নিচে একনজরে দেখে নিন সব মূল স্পেসিফিকেশন:
Vivo X300 Ultra এই ফোনে ব্যবহার করা হয়েছে Qualcomm Snapdragon 8 Elite Gen 5 চিপসেট, যা সাধারণ Snapdragon 8 Gen 5-এর থেকেও বেশি শক্তিশালী। বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন:
Vivo X300 Ultra এবং Vivo X300 FE 200MP Camera কেন এটি গেম-চেঞ্জার?
এই ফোনে একই সঙ্গে দুটি 200MP ক্যামেরা রয়েছে, একটি primary, আরেকটি periscope telephoto। এই ধরনের দ্বৈত-200MP সেটআপ ভারতীয় বাজারে এর আগে কেউ দেখেনি। Sony LYT901 হলো Sony-র এখন পর্যন্ত তৈরি সেরা মোবাইল ইমেজ সেন্সরগুলির মধ্যে একটি। এই সেন্সরটি বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে কম আলোর পরিবেশেও অসাধারণ ছবি তোলার জন্য। Periscope telephoto ক্যামেরায় রয়েছে Samsung-এর HP0 সেন্সর। Vivo X300 FE-তে যদিও 200MP ক্যামেরা নেই, তবে 50MP Sony IMX921 ও 50MP IMX882 টেলিফোটো সেন্সরের সমন্বয়ে এই ফোনটি তার দামের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী ক্যামেরা অভিজ্ঞতা দেয়।
Vivo X300 Ultra এবং Vivo X300 FE Price in India
Vivo X300 FE Price in India
12GB + 256GB ভেরিয়েন্ট-এর আনুমানিক দামহতেপারে 65,000 হাজারটাকা। 12GB + 512GB ভেরিয়েন্ট-এর আনুমানিক দামহতেপারে 68,000 হাজারথেকে 70,000 টাকা। 65 হাজার টাকার মধ্যে Snapdragon 8 Gen 5, 6500mAh ব্যাটারি, 90W চার্জিং এবং Zeiss ক্যামেরা সিস্টেম পাওয়া গেলে এটি নিঃসন্দেহে এই সেগমেন্টে অন্যতম সেরা মূল্য-পারফরম্যান্স।
Vivo X300 Ultra Price in India
16GB + 512GB এইফোনের আনুমানিক দাম 1লক্ষ 50,000 হাজারটাকা।Vivo X300 FE price in India সম্পর্কে যেকোনো নতুন আপডেটের জন্য আমাদের সঙ্গে থাকুন। 6 মে-র লঞ্চ ইভেন্টের পর আমরা সম্পূর্ণ রিভিউ প্রকাশ করব।
Oppo Find X9 Ultra Camera Review: চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা Oppo তাদের আলট্রা ফ্ল্যাগশিপ সিরিজের নতুন মডেল Oppo Find X9 Ultra আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের বাজারে লঞ্চ করেছে। মডেল নম্বর PMA110 নামে পরিচিত। লঞ্চের সময় এর দাম ধরা হয়েছে 7,499 চীনা ইউয়ান, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১,০২,৮৩৬ টাকা। আপাতত চীনে সীমিত এই লঞ্চ হলেও ভারতীয় বাজারে এটি এলে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। Oppo Find X9 Ultra-র সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর পাঁচটি পিছনের ক্যামেরা, যেখানে 200 মেগাপিক্সেল পর্যন্ত সেন্সর ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি সেন্সর ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য তৈরি। এই প্রতিবেদনে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব ফোনটির ক্যামেরা ফিচার, বিশেষ করে 200 মেগাপিক্সেলের ব্যবহার, এবং ভারতের বাজারে দাম কেমন হতে পারে।
Oppo Find X9 Ultra Camera Review: Oppo Find X9 Ultra আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের বাজারে লঞ্চ করেছে।
Oppo Find X9 Ultra camera Features
Oppo Find X9 Ultra camera review প্রথমেই নজর কাড়ে এর পাঁচটি পিছনের ক্যামেরার সমাহার। কোম্পানি দাবি করছে, এই ক্যামেরা সেটআপ আল্ট্রা-হাই রেজোলিউশন থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক রঙ পুনরুত্পাদন এবং জুমের ক্ষেত্রে এক নতুন মান স্থাপন করবে।
নিচে ফোনটির ক্যামেরা ফিচারগুলো পয়েন্ট আকারে দেওয়া হলো:
মেইন ক্যামেরা:
200 মেগাপিক্সেল Sony LYT-901 সেন্সর
2-অ্যাক্সিস OIS অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন
প্রায় সব আলো পরিস্থিতিতে ধারালো ও নোইজবিহীন ছবি তোলার ক্ষমতা
আলট্রাওয়াইড ক্যামেরা:
50 মেগাপিক্সেল Sony LYT-600 সেন্সর
প্রশস্ত অ্যাঙ্গেলের ছবি ও ভিডিও রেকর্ডিংয়ের জন্য উপযোগী
টেলিফটো ক্যামেরা 10X:
50 মেগাপিক্সেল Samsung ISOCELL JNL সেন্সর
10 গুণ অপটিক্যাল জুম ও ডিজিটাল জুমের চমৎকার স্থিরতা
টেলিফটো ক্যামেরা 3X:
200 মেগাপিক্সেল Omnivision OV52A সেন্সর
3 গুণ অপটিক্যাল জুমে অসাধারণ ডিটেইল ধরে রাখে
মাল্টিস্পেকট্রাল সেন্সর:
3.2 মেগাপিক্সেল
সঠিক কালার পুনরুত্পাদন ও হোয়াইট ব্যালান্স ঠিক করতে সাহায্য করে
ফ্রন্ট ক্যামেরা:
50 মেগাপিক্সেল Samsung JN5 সেন্সর
সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য হাই রেজোলিউশনের ব্যবস্থা
Oppo প্রথমবারের মতো একটি ফোনে দুইটি আলাদা টেলিফটো লেন্স এনেছে, যার একটি 3গুণ আর অন্যটি 10 গুণ অপটিক্যাল জুম সামলায়। এছাড়া মাল্টিস্পেকট্রাল সেন্সরটি ছবির রঙকে বাস্তবের আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে।
Oppo Find X9 Ultra 200 মেগাপিক্সেল ক্যামেরা দুটি ভিন্ন লেন্সে ব্যবহার করেছে। একটি হলো মূল মেইন ক্যামেরা Sony LYT-901, অন্যটি 3 গুণ অপটিক্যাল জুমের টেলিফটো ক্যামেরা (Omnivision OV52A)। এটিই প্রথম স্মার্টফোন, যেখানে একই ফোনে দুইটি ২০০ মেগাপিক্সেল সেন্সর রাখা হয়েছে। প্রথম 200 মেগাপিক্সেল সেন্সরটি মেইন ক্যামেরার কাজ করে। Sony LYT-901 সেন্সরটি আলাদা চিপে তৈরি, যা আলো সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং ডাইনামিক রেঞ্জ উন্নত করে। দ্বিতীয় 200 মেগাপিক্সেল সেন্সরটি বসেছে 3 গুণ অপটিক্যাল জুমের টেলিফটো লেন্সে। Oppo দাবি করছে, দুটি 200 মেগাপিক্সেল সেন্সরে পিক্সেল বিনিং টেকনোলজি ব্যবহার করে দিনের আলোতে অসাধারণ ডিটেইল এবং কম আলোতে উজ্জ্বল ছবি তোলা সম্ভব। বিশেষ করে 3গুণ জুমের 200 মেগাপিক্সেল ছবি 10 গুণ ডিজিটাল জুম করলেও ধারালো থাকে।
Oppo Find X9 Ultra price in India
Oppo Find X9 Ultra বর্তমানে শুধু চীনে লঞ্চ হয়েছে। সেখানে এর একমাত্র স্টোরেজ ভেরিয়েন্টের (ধারণা করা হচ্ছে 12GBRAM + 256GB স্টোরেজ দাম রাখা হয়েছে 7,499 চীনা ইউয়ান। ভারতীয় টাকায় প্রায় ১ লক্ষ ২ হাজার ৮৩৬ টাকা টাকা। তবে ভারতের বাজারে ফোনটি আনতে আরও কিছু মাস সময় লাগতে পারে, কারণ সাধারণত Oppo প্রথমে নিজ দেশ চীনে ফোন লঞ্চ করে, পরে ধাপে ধাপে অন্যান্য বাজারে আনে। বর্তমানে চীনে এটি প্রি-অর্ডার বা লঞ্চ সেল শুরু করেছে। ভারতের লঞ্চের তারিখ এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি Oppo।