চীনে লঞ্চ হল 6000mAh ব্যাটারি 12GB RAM সহ Huawei Nova 16z 5G স্মার্টফোন। জেনে নিন ভারতীয় দাম ও সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন।

Huawei Nova 16z 5G

চীনের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হয়েছে Huawei Nova 16 সিরিজ। এই সিরিজে Huawei Nova 16, Nova 16 Pro, Nova 16 Ultra-এর পাশাপাশি Huawei Nova 16z 5G স্মার্টফোনটিও লঞ্চ করেছে কোম্পানি। কম বাজেটের মধ্যে প্রিমিয়াম ফিচার দিতে আসছে এই নতুন ফোন। রয়েছে 50MP সেলফি ক্যামেরা, 6000mAh ব্যাটারি এবং 100W SuperCharge ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট। এই ফোনে কেনার আগে Huawei Nova 16z 5G-এর স্পেসিফিকেশন ও ফিচার সম্পর্কেও কোম্পানি বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই ফোনের দাম ও অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য।

Huawei Nova 16z 5G Price Details

চীনের বাজারে Huawei Nova 16z 5G স্মার্টফোনটি 12GB RAM সহ দুটি স্টোরেজ ভেরিয়েন্টে লঞ্চ করা হয়েছে। এই ফোনটির 12GB RAM + 256GB স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে চিনে 2,399 ইউয়ান, ভারতে যার দাম প্রায় 33,700 টাকা। অন্যদিকে, একটু বেশি স্টোরেজ জন্য 12GB RAM + 512GB স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে চিনে 2,799 ইউয়ান,ভারতে প্রায় 39,300 টাকার কাছাকাছি। চিনে Huawei Nova 16z 5G স্মার্টফোনটি তিনটি আকর্ষণীয় কালার ভ্যারিয়েন্টে বিক্রি করা হবে, White, Green এবং Black।

Huawei Nova 16z-এর স্পেসিফিকেশন

Huawei Nova 16z 5G স্মার্টফোনটি কোম্পানির নিজস্ব HarmonyOS 6.1 অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে লঞ্চ করা হয়েছে। পারফরম্যান্সের জন্য ফোনটিতে রয়েছে Kirin 8020 অক্টা-কোর প্রসেসর, এটি 7nm ফেব্রিকেশন প্রসেসে তৈরি। এই চিপসেটের ক্লক স্পিড 1.3GHz থেকে 2.28GHz পর্যন্ত কাজ করে, ফলে স্মার্টফোনটি ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে। Huawei এর এই Kirin 8020 প্রসেসরটি নতুন নয়। এর আগে কোম্পানি Huawei Nova 14 Ultra এবং Huawei Nova 15 স্মার্টফোনেও একই চিপসেট ব্যবহার করেছিল।

চিনে লঞ্চ হওয়া ফোনটিতে রয়েছে 6.7-ইঞ্চির ফুল HD+ OLED ডিসপ্লে, যা 2412 × 1084 পিক্সেল রেজোলিউশন। এই 6.7-ইঞ্চির ফুল HD+ ওলেড ডিসপ্লেটি 120Hz রিফ্রেশ রেট sসাপোর্ট করে। পাশাপাশি 300Hz টাচ স্যাম্পলিং রেট এবং 2160Hz PWM ডিমিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে ফোনটিতে। দীর্ঘ সময় ধরে ফোন ব্যবহার করার জন্য চোখের সুরক্ষার বিষয়টিও মাথায় রেখে এতে AI-based Intelligent Eye Protection ফিচার যুক্ত করা হয়েছে।

Huawei Nova 16z 5G ক্যামেরা ফিচার

Huawei Nova 16z 5G স্মার্টফোনটির পিছনে রয়েছে ডুয়েল রিয়ার ক্যামেরা সিস্টেম, এবং রিয়ার প্যানেলে LED ফ্ল্যাশের সঙ্গে রয়েছে 50 মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা, যার অ্যাপার্চার f/1.9। এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে 12 মেগাপিক্সেলের টেলিফটো পোর্ট্রেট লেন্স, যা 3x অপটিক্যাল জুম এবং 30x ডিজিটাল জুম সাপোর্ট করে।সেলফি এবং ভিডিও কলিংয়ের জন্যও Huawei ফোনটির সামনে রয়েছে 50 মেগাপিক্সেলের হাই-রেজোলিউশন ফ্রন্ট ক্যামেরা।

6000mAh ব্যাটারি ও 100W ফাস্ট চার্জিং

ব্যাটারি লাইফের দিক থেকে Huawei Nova 16z 5G স্মার্টফোনটিতে রয়েছে 6000mAh ব্যাটারি। চার্জিংয়ের জন্য Huawei এতে যুক্ত করেছে 100W SuperCharge প্রযুক্তি। কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে ফোনটিতে Wi-Fi, Bluetooth 6.0, NFC এবং Infrared Remote Control সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। NFC-এর মাধ্যমে দ্রুত পেমেন্ট ও ডিভাইস কানেকশন সম্ভব হবে, আর Infrared Remote Control ফিচারের সাহায্যে স্মার্টফোনটিকে টিভি, এসি বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের রিমোট হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।

আরও পড়ুন: 1 জুন লঞ্চ হচ্ছে Huawei Nova 16 series, 200MP ক্যামেরা ও 7000mAh ব্যাটারিতে বড় চমক দিতে পারে Pro Max

শীঘ্রই লঞ্চ হতে পারে vivo T5 Lite 5G! সার্টিফিকেশন সাইটে দেখা গেল vivo T5 Lite, মিলতে পারে বড় ব্যাটারি ও ফাস্ট চার্জিং

vivo T5 Lite 5G

গত বছর ভারতের বাজারে বড় ব্যাটারি সহ vivo তাদের vivo T4 Lite স্মার্টফোনটি লঞ্চ করেছিল। ফোনটিতে 6000mAh ব্যাটারি, 50MP ক্যামেরা এবং 8GB RAM-এর মতো ফিচার দেওয়া হয়েছিল। এবার কোম্পানি এই স্মার্টফোনের সাক্সেসার হিসেবে নতুন vivo T5 Lite 5G লঞ্চের প্রস্তুতি নিচ্ছে । যদিও এখনও পর্যন্ত vivo-এর পক্ষ থেকে এই নতুন 5G স্মার্টফোন সম্পর্কে কোনও অফিসিয়াল ঘোষণা করা হয়নি, তবে ডিভাইসটি একটি সার্টিফিকেশন সাইটে স্পট হয়েছে। এই লিস্টিংয়ের মাধ্যমে ফোনটির নামের পাশাপাশি চার্জিং ফিচার সম্পর্কেও তথ্য সামনে এসেছে। ফলে খুব শীঘ্রই vivo T5 Lite 5G স্মার্টফোনটি বাজারে এন্ট্রি নিতে পারে ।

সম্প্রতি গুগল প্লে কনসোলে vivo T5 Lite 5G স্মার্টফোনটি লিস্টেড হয়েছে। সার্টিফিকেশন সাইটে এই আপকামিং ডিভাইসটি V2553 এবং V2557 মডেল নাম্বার সহ প্রকাশ্যে এসেছে। লিস্টিং থেকে জানা গেছে, ফোনটি vivo T5 Lite নামের সঙ্গে 44W ফাস্ট চার্জিং এবং 5G সাপোর্ট সহ বাজারে আসতে পারে। যদিও গুগল প্লে কনসোলের এই লিস্টিংয়ে ফোনটির সম্পূর্ণ স্পেসিফিকেশন প্রকাশ করা হয়নি, এতটুকু স্পষ্ট যে vivo তাদের নতুন T5 Lite স্মার্টফোনে আধুনিক 5G কানেক্টিভিটি এবং দ্রুত চার্জিং সুবিধা দিতে চলেছে।

vivo T5 Lite ফোনের সম্ভাব্য দাম কত হতে পারে

জানিয়ে রাখি, vivo ইতিমধ্যেই তাদের T5 সিরিজের অধীনে vivo T5x 5G এবং vivo T5 Pro 5G স্মার্টফোন দুটি বাজারে লঞ্চ করেছে। এবার T সিরিজের তৃতীয় মডেল হিসেবে এন্ট্রি নিতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুন এই T5 Lite স্মার্টফোনটি বাজেট সেগমেন্টকে টার্গেট করেই আনা হতে পারে। vivo T5 Pro 5G ফোনটি ভারতে 29,999 টাকা দামে লঞ্চ হয়েছিল, অন্যদিকে vivo T5x 5G-এর শুরু দাম রাখা হয়েছিল 18,999 টাকা। সেই দিক থেকে vivo T5 Lite 5G স্মার্টফোনটি 15 হাজার টাকার কম দামে বাজারে আসতে পারে।

vivo T5 Lite 5G লঞ্চ টাইমলাইন

vivo T5 Lite 5G ফোনটি ইতিমধ্যেই Google Play certification পেয়ে গেছে, তাই খুব শীঘ্রই Vivo India ফোনটির টিজার প্রকাশ করা শুরু করতে পারে। রিপোর্ট এবং লিক অনুযায়ী, এই vivo 5G স্মার্টফোনটি এই মাসের শেষের দিকে ভারতের বাজারে লঞ্চ হতে পারে। যদিও কোম্পানির পক্ষ থেকে এখনও অফিসিয়াল launch date ঘোষণা করা হয়নি, তবে সার্টিফিকেশন লিস্টিং সামনে আসার পর ফোনটির লঞ্চ এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা।

আরও পড়ুন: Vivo X300 Ultra ও X300 FE: 200MP ক্যামেরা নিয়ে, Snapdragon 8 Elite, আসছে 6 May, Vivo X300 FE Price in India জানুন

vivo T5 Lite ফোনের সম্ভাব্য স্পেসিফিকেশন

সামনে আসা লিক ও রিপোর্ট অনুযায়ী, আপকামিং vivo T5 Lite 5G স্মার্টফোনটি MediaTek Dimensity 6300 অথবা Dimensity 6400 চিপসেট সহ বাজারে আসতে পারে। জানিয়ে রাখি, আগের সিরিজের vivo T4 Lite স্মার্টফোনটি 2.4GHz ক্লক স্পিডযুক্ত MediaTek Dimensity 6300 অক্টা-কোর প্রসেসর সহ লঞ্চ করা হয়েছিল।

রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের বাজারে vivo T5 Lite 5G ফোনটি 6GB RAM ভ্যারিয়েন্টে লঞ্চ হতে পারে। লিস্টিং থেকে সামনে আসা তথ্য অনুযায়ী, vivo T5 Lite 5G স্মার্টফোনে 44W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট দেওয়া হতে পারে। এছাড়াও বিভিন্ন লিক ও রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, ফোনটিতে বড় 6500mAh ব্যাটারি থাকতে পারে।

জানিয়ে রাখি, vivo T5 সিরিজের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যাটারি vivo T5 Pro মডেলটি বাজারে এসেছে, এই ফোনে 9020mAh ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে, আগের সিরিজের vivo T4 Lite স্মার্টফোনে 6000mAh ব্যাটারি এবং 15W চার্জিং সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল।

লিক ও রিপোর্ট অনুযায়ী, এই 5G স্মার্টফোনটি SGS সার্টিফায়েড ড্রপ-রেজিস্টেন্ট বডি সহ বাজারে আসতে পারে। এছাড়াও জল ও ধুলো থেকে সুরক্ষিত রাখতে ডিভাইসটিতে IP65 রেটিং যোগ করা হতে পারে।কালার অপশনের জন্য, ভারতে vivo T5 Lite 5G ফোনটি Wave Blue এবং Twilight শ্যাডো, এই দুটি কালারে লঞ্চ হতে পারে।

আরও পড়ুন: Vivo V80 5G আসছে 200MP ক্যামেরা ও 7000mAh ব্যাটারি নিয়ে! সামনে এল চমকপ্রদ ফিচার

সস্তায় লঞ্চ হল Moto G37, কম দামে মিলবে 5200mAh ব্যাটারি ও আধুনিক ফিচারে সজ্জিত নতুন ফোন

Motorola ভারতে তাদের স্মার্টফোন লাইনআপ আরও শক্তিশালী করতে নতুন Moto G37 এবং Moto G37 Power স্মার্টফোন লঞ্চ করেছে। কম দামের মধ্যেও ফোনটিতে প্রয়োজনীয় আধুনিক ফিচার ও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স দেওয়ার চেষ্টা করেছে কোম্পানি। বর্তমানে স্মার্টফোনের দাম যেভাবে ধীরে ধীরে বাড়ছে, সেই পরিস্থিতিতে 15,000 টাকার কম দামে Moto G37 ব্যবহারকারীর জন্য একটি বিকল্প ফোন হতে পারে।

Moto G37- ফোনের ফিচার ও স্পেসিফিকেশন

এই স্মার্টফোনে 6.6-ইঞ্চির HD+ LCD ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে, যা 120Hz রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট করবে। এই ডিসপ্লেটি High Brightness Mode -এ সর্বোচ্চ 1,050nits পর্যন্ত পিক ব্রাইটনেস সাপোর্ট করে। এছাড়াও স্ক্রিন সুরক্ষার জন্য এতে Corning Gorilla Glass 7i প্রোটেকশন দেওয়া হয়েছে, যা স্ক্র্যাচ ও ছোটখাটো আঘাত থেকে ডিসপ্লেকে সুরক্ষা দিতে পারে। যদিও এই মডেলের কিছু প্রতিদ্বন্দ্বী স্মার্টফোনে Full HD+ রেজোলিউশন দেখা যায়, তবুও Moto G37-এর 120Hz রিফ্রেশ রেট ব্যবহারকারীদের আরও স্মুথ অ্যানিমেশন, এক্সপেরিয়েন্স দিতে সক্ষম হবে।

স্মার্টফোনটি ফিচারের দিক থেকে, টেকসই ডিজাইন ও সুরক্ষার ক্ষেত্রেও ব্যবহারকারীদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ফোনটিতে IP64 ডাস্ট এবং স্প্ল্যাশ রেজিস্ট্যান্স রেটিং দেওয়া হয়েছে, যার ফলে ধুলো বা হালকা জলের ছিটা থেকে ডিভাইসটি সুরক্ষিত থাকবে। এর পাশাপাশি এতে MIL-STD-810H মিলিটারি-গ্রেড সার্টিফিকেশনও রয়েছে। নিরাপত্তার জন্য ফোনটিতে সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারও যোগ করা হয়েছে, যা দ্রুত ও সহজ বায়োমেট্রিক অথেনটিকেশন সুবিধা দেবে।

আরও পড়ুন: সস্তায় 5G স্মার্টফোন খুঁজছেন? মাত্র 13,999 টাকায় Moto G37 Power ফোনে মিলবে 50MP ক্যামেরা ও 5200mAh ব্যাটারি

পারফরম্যান্সের দিক থেকে এই সিরিজে MediaTek Dimensity 6400 চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রসেসরের সঙ্গে 4GB LPDDR4X RAM এবং 64GB UFS 2.2 স্টোরেজ যুক্ত করা হয়েছে, ফলে অ্যাপ ওপেনিং, ফাইল ট্রান্সফার ব্যবহারে আরও বেশি স্পিড পাওয়া যেতে পারে। Motorola এই ফোনে RAM Boost ফিচারও দিয়েছে। এর সাহায্যে ভার্চুয়ালি RAM বাড়িয়ে 12GB পর্যন্ত মেমোরির ব্যবহার করতে পারবেন। স্টোরেজের ক্ষেত্রেও ব্যবহারকারীদের জন্য Moto G37 সিরিজে microSD কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ 1TB পর্যন্ত স্টোরেজ বাড়ানোর সুবিধা থাকবে।

ফটোগ্রাফির জন্য 50 মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি রিয়ার ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। Motorola এখানে 2-in-1 light sensor setup ব্যবহার করেছে, যা ambient light sensor এবং flicker ডিটেক্ট, এই দুই প্রযুক্তিকে একসঙ্গে যুক্ত করে। এর ফলে আরও ব্যালান্সড ছবি তোলা এবং স্ক্রিন ফ্লিকার কমাতে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে সেলফি ও ভিডিও কলিংয়ের জন্য ফোনটির সামনে 8MP ফ্রন্ট ক্যামেরা রাখা হয়েছে।

Moto G37 স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়েছে, 5200mAh ব্যাটারি। এবং দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য ফোনটিতে 20W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এতে 6W reverse wired charging ফিচার রয়েছে, যার মাধ্যমে প্রয়োজনে অন্য স্মার্টফোন বা ছোট অ্যাক্সেসরিজও চার্জ করা যাবে। বর্তমান সময়ে যেখানে অনেক নতুন স্মার্টফোনে 7000mAh পর্যন্ত বড় ব্যাটারি এবং আরও দ্রুত চার্জিং দেখা যাচ্ছে, সেখানে Moto G37-এর 5200mAh ব্যাটারি কিছুটা সীমিত মনে হতে পারে।

ভারতে Moto G37-এর দাম কত হতে পারে

Motorola ভারতে Moto G37 স্মার্টফোনটি 4GB RAM এবং 64GB স্টোরেজের একমাত্র ভ্যারিয়েন্টে লঞ্চ করেছে। ফোনটির দাম রাখা হয়েছে 13,999 টাকা। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, Moto G37-এর প্রথম সেল আগামী 25 মে দুপুর 12টা থেকে শুরু হবে। স্মার্টফোনটি Flipkart, Motorola India এবং ভারতের বিভিন্ন রিটেইল স্টোর থেকে কিনতে পারবেন। স্মার্টফোনটি Pantone Capri এবং Pantone ইমপেনেট্রেবলে, এই দুটি স্টাইলিশ কালার অপশনে পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: Motorola-র নতুন ফ্ল্যাগশিপ ফোনে বড় চমক, Motorola Edge 70 Pro+ লঞ্চের আগেই প্রকাশ্যে এল ডিজাইন ও কালার অপশন

এই মাসেই লঞ্চ হচ্ছে শাওমি 17 Max 5G। 8000mAh ব্যাটারি, 200MP ক্যামেরা নিয়ে

শাওমি খুব শীঘ্রই চীনের বাজারে, Xiaomi 17 Max 5g লঞ্চ করতে চলেছে।

শাওমি খুব শীঘ্রই চীনের বাজারে তাদের জনপ্রিয় ‘নাম্বার সিরিজ’-এর নতুন ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন শাওমি 17 Max 5G 17 Max 5G লঞ্চ করতে চলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী 21 মে ডিভাইসটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হতে পারে। কিছুদিন আগে কোম্পানি তাদের ফোনটির ডিজাইন ও প্রিমিয়াম লুক-এর ঝলক দেখিয়েছিল। এবার কোম্পানি প্রকাশ্যে এসেছে আসন্ন স্মার্টফোনটির গুরুত্বপূর্ণ স্পেসিফিকেশন ও ফিচার সংক্রান্ত তথ্য। জানা যাচ্ছে, শাওমি 17 Max 5G 17 Max-এ বড় ব্যাটারি, শক্তিশালী Snapdragon প্রসেসর এবং উন্নত ক্যামেরা সেটআপের মতো একাধিক ফ্ল্যাগশিপ-গ্রেড ফিচার থাকতে পারে।

শাওমি 17 Max ফোনের ফিচার এবং স্পেসিফিকেশন কি কি থাকতে পারে

Snapdragon 8 Elite Gen 5 প্রসেসরে শক্তিশালী পারফরম্যান্স

কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আসন্ন শাওমি 17 Max স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হবে Qualcomm-এর নতুন Snapdragon 8 Elite Gen 5 ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর। মূল বিষয় হলো, শাওমি 17 Ultra মডেলেও একই চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছিল। এই শক্তিশালী প্রসেসরটি 4.6GHz পর্যন্ত ক্লক স্পিডে কাজ করতে সক্ষম হবে, ফলে গেমিং, মাল্টিটাস্কিং ব্যবহারে আরও স্মুথ অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি উন্নত AI পারফরম্যান্সের জন্য এতে Hexagon NPU যুক্ত করা হয়েছে। দ্রুত নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটির জন্য ফোনটিতে X85 5G Modem RF System সাপোর্টও থাকবে।

6.9-ইঞ্চির বড় ডিসপ্লেতে প্রিমিয়াম ভিজ্যুয়াল এক্সপেরিয়েন্স

শাওমি 17 Max স্মার্টফোনটি ডিসপ্লেতে বড় আপগ্রেড নিয়ে আসতে পারে। কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, ফোনটিতে 6.9-ইঞ্চির ডিসপ্লে দেওয়া হতে পারে। এই ফ্ল্যাট ডিসপ্লেটি OLED প্যানেল দিয়ে তৈরি হতে পারে এবং এতে 2K রেজোলিউশন সাপোর্ট করতে পারে। ফোনটিতে হাই রিফ্রেশ রেট এবং উজ্জ্বল আউটডোর ভিজিবিলিটির জন্য হাই নিটস ব্রাইটনেস সাপোর্টও থাকতে পারে।

শাওমি খুব শীঘ্রই চীনের বাজারে, Xiaomi 17 Max 5g লঞ্চ করতে চলেছে।
শাওমি খুব শীঘ্রই চীনের বাজারে, শাওমি 17 Max 5g লঞ্চ করতে চলেছে।

Leica ক্যামেরা ফটোগ্রাফিতে বড় আপগ্রেড

শাওমি 17 Max 5G 17 Max স্মার্টফোনটি এই সিরিজের Ultra মডেলের সমান অভিজ্ঞতা দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কোম্পানির শেয়ার করা তথ্য অনুযায়ী, ফোনটিতে শক্তিশালী 200 মেগাপিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা সেন্সর ব্যবহার করা হবে। ফোনটির ট্রিপল রিয়ার ক্যামেরা Leica-র প্রিমিয়াম লেন্স দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি এতে 3X অপটিক্যাল জুম সাপোর্টেড পেরিস্কোপ টেলিফটো লেন্স থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই টেলিফটো সেন্সরটি 50 মেগাপিক্সেলের হতে পারে।

আরও পড়ুন: Xiaomi 17 Max আসছে 8,000mAh ব্যাটারি ও 200MP ক্যামেরা নিয়ে—নতুন ফ্ল্যাগশিপে বড় চমক

8000mAh ব্যাটারি ও HyperCharge মিলতে পারে পাওয়ার ব্যাকআপ জন্য

পাওয়ার ব্যাকআপের জন্য শাওমি 17 Max 5G 17 Max 5G স্মার্টফোনটি বিশাল 8000mAh ব্যাটারি ব্যবহার করা হবে। এতে আধুনিক silicon-carbon ব্যাটারি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতে পারে। এই প্রযুক্তির ফলে বড় ব্যাটারি থাকা সত্ত্বেও ফোনের ডিজাইন স্লিম ও হালকা রাখা সম্ভব হবে। ভারতে লঞ্চ হওয়া Xiaomi 17 মডেলে 6300mAh ব্যাটারি এবং শাওমি 17 Max 5G 17 Ultra-তে 6000mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছিল। মনে করা হচ্ছে, শাওমি 17 Max 5G 17 Max ব্যবহারকারীদের আরও বেশি পাওয়ার ব্যাকআপ দিতে পারে।

অন্যদিকে, চার্জিং ফিচার সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত কোম্পানির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে শাওমি 17 এবং শাওমি 17 Ultra স্মার্টফোনে যথাক্রমে 100W এবং 90W HyperCharge সাপোর্ট থাকায়, আসন্ন শাওমি 17 Max-এও 100W ফাস্ট চার্জিং ফিচার থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি এই সিরিজের অন্যান্য মডেলের মতো এই ফোনেও 50W ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট যোগ করা হতে পারে।

Xiaomi 17 Max 5G চীনে এই মাসেই লঞ্চ, শুরু হতে পারে

শাওমি 17 Max 5G স্মার্টফোনটি খুব শীঘ্রই চীনের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি শুরু করতে চলেছে। কোম্পানির হোম মার্কেট চীনে ইতিমধ্যেই ফোনটির প্রি-অর্ডার শুরু হয়ে গেছে। প্রকাশ্যে আসা একাধিক লিক অনুযায়ী যে, শাওমি 17 Max 5G শুধু চীনেই নয়, ভারতসহ অন্যান্য গ্লোবাল মার্কেটেও লঞ্চ হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত কোম্পানির পক্ষ থেকে ফোনটির অফিসিয়াল দাম প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: Redmi A7 vs Redmi A7 Pro 5G মাত্র 11,499-এ 6300mAh ব্যাটারি ও 120Hz ডিসপ্লে, কেনার আগে জানুন?

iPhone 17 Pro কিনবেন? Deep Blue ভ্যারিয়েন্টে Flipkart-এ মিলছে বিশাল ডিসকাউন্ট ও EMI অফার

iPhone 17 Pro-প্রতীকী ছবি

এক নজরে দেখে নিন iPhone 17 Pro-র দাম। বর্তমানে flipkart এ lowest price লাইভ আছে মাত্র 1,19,900 টাকা। অন্যদিকে, আপনি চাইলে 5,665 টাকা করে 24 মাসে কিস্তিতেও কিনতে পারবেন, যার total হবে ১,৩৫,৯৪০ টাকা। বর্তমানে ব্যাংক অফারগুলোর মধ্যে আছে SBI কার্ডে 4,000 টাকা ছাড়, ফ্লিপকার্ট এক্সিস কার্ডে 10,500 টাকা ছাড় আর পেটিএম-এ 50 টাকা cashback।

iPhone 17 Pro Display Features: যা চোখ ধাঁধানো ভিজুয়াল গ্যারান্টি দেয়

iPhone 17 Pro-তে ব্যবহার করা হয়েছে 6.3 ইঞ্চির অল স্ক্রিন ওএলইডি ডিসপ্লে, যার রেজুলেশন ২৬২২ x ১২০৬ পিক্সেল। নাম সুপার রেটিনা এক্সডিআর ডিসপ্লে। এই স্ক্রিনের সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো প্রোমোশন টেকনোলজি, যার মাধ্যমে রিফ্রেশ রেট নিজেই খাপ খাইয়ে নেয় 120Hz পর্যন্ত। অলওয়েজ অন ডিসপ্লে ফিচারটি কাজে আসবে যখন আপনি ফোন আনলক না করেই সময় বা নোটিফিকেশন দেখতে চান। আর ডাইনামিক আইল্যান্ড তো আছেই, যা নোটিফিকেশন আর অ্যাক্টিভিটিকে আরও ইন্টারঅ্যাকটিভ করে তোলে। আরও উল্লেখযোগ্য হলো ডিসপ্লের brightness। সাধারণ অবস্থায় 1000 nits, HDR কন্টেন্ট দেখলে 1600 nits, আর রোদে বাইরে থাকলে এটি পৌঁছায় ২০০০ nits পর্যন্ত। কন্ট্রাস্ট রেশিও ২০,০০,০০০:১, তাই কালো যেন সম্পূর্ণ কালো দেখাবে। এছাড়া ট্রু টোন, ওয়াইড কালার (P3) আর ফিঙ্গারপ্রিন্ট রেজিস্ট্যান্ট আবরণও আছে।

iPhone 17 Pro OS & Processor Features: A19 চিপে গতি আর স্মার্টনেস

এই ফোনে ব্যবহার করা অ্যাপলের নিজস্ব A19 চিপ, যা হেক্সা কোর প্রসেসর। অর্থাৎ ছয়টি কোর একসঙ্গে কাজ করে, যার মধ্যে কিছু পারফরম্যান্সের জন্য আর কিছু এফিসিয়েন্সির জন্য। অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে আছে আইওএস 26, যা খুবই স্মুথ আর ইউজার ফ্রেন্ডলি। নেটওয়ার্ক সাপোর্টের ক্ষেত্রে, এটি প্রায় সব ব্যান্ডেই কাজ করবে। 5জি এফডিডি ও টিডিডি, 5জি এনআর মিমিওয়েভ, 4জি এলটিই, 3জি ইউএমটিএস এমনকি 2জি জিএসএমও সাপোর্ট করে। ফলে দেশের-বিদেশের যেকোনো নেটওয়ার্কে আপনি দারুণ স্পীড পাবেন।

আরও পড়ুন:  Xiaomi 18 Pro ও 18 Pro Max আসছে ডুয়াল 200MP ক্যামেরা নিয়ে, ফ্ল্যাগশিপ দৌড়ে বড় চমক

iPhone 17 Pro Camera Features: তিন লেন্সেই 48 এমপি, প্রতিটি ছবি প্রো লেভেলের

iPhone 17 Pro-তে আছে তিনটি 48 মেগাপিক্সেলের লেন্স। ফিউশন মেইন লেন্স (২৪ মিমি, f/1.78): এটি সেকেন্ড জেনারেশন সেন্সর শিফট OIS-সহ আসে। এটি 24এমপি আর 48 এমপিতে সুপার হাই রেজোলিউশন ছবি তোলে। ফিউশন আল্ট্রা ওয়াইড লেন্স (১৩ মিমি, f/2.2): ১২০ ডিগ্রি ফিল্ড অফ ভিউ, মানে বেশি কিছু এক ফ্রেমে নিয়ে আসতে পারবেন। ম্যাক্রো ফটোগ্রাফিও চমৎকার। ফিউশন টেলিফটো লেন্স (১০০ মিমি, f/2.8):৪x অপটিক্যাল কোয়ালিটি জুম দেয়, আর তেত্রাপ্রিজম ডিজাইনে স্টেবিলাইজেশন থাকে। সেলফির জন্য সামনে রয়েছে 18 মেগাপিক্সেলের সেন্টার স্টেজ ক্যামেরা, যাতে অটোফোকাস আছে। এটি ভিডিও কলের সময় নিজেই ফ্রেমে আপনাকে কেন্দ্র করে রাখে। ফ্ল্যাশ আছে পেছনে ট্রু টোন আর সামনে রেটিনা ফ্ল্যাশ। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের ক্ষেত্রে পেছনের ক্যামেরা 4কে ২৪/২৫/৩০/৬০ fps-এ করতে পারে। সিনেমাটিক মোড, অ্যাকশন মোড, স্লো-মো ভিডিও (১০৮০p তে ১২০ বা ২৪০ fps) সবই আছে। সামনের ক্যামেরাও 4কে ভিডিও সাপোর্ট করে।

iPhone 17 Pro Battery & Power Features

এই ফোনে ব্যবহার হয়েছে ব্যাটারি টাইপ লিথিয়াম আয়ন। অ্যাপল সাধারণত চার্জিং স্পেস দ্রুত না জানালেও, এতে ইউএসবি টাইপ-সি পোর্ট দেওয়া আছে । সারাদিন স্বাভাবিক ব্যবহারে চলবে বলে প্রত্যাশা করা যায়।

iPhone 17 Pro Memory, Storage & Connectivity

আপনি পাবেন 256 জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ, যা গড় ব্যবহারকারীর জন্য অনেক বেশি। সিম টাইপ ডুয়াল সিম, কিন্তু হাইব্রিড স্লট নেই। Wi-Fi, ব্লুটুথ v6.0, NFC, জিপিএস (জিপিএস, গ্লোনাস, গ্যালিলিও, কজএসএস, বাইদু, নাভিক) সবকিছু আছে।

More Useful Features: সেন্সর, অডিও ও ইনবক্স আইটেম

আপনার ফেস আইডি দিয়েও খুব দ্রুত ফোন আনলক করতে পারবেন। আছে ব্যারোমিটার, হাই ডায়নামিক রেঞ্জ জাইরো, হাই-জি অ্যাক্সিলারোমিটার, প্রক্সিমিটি সেন্সর আর ডুয়াল অ্যাম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সর। অডিওর জন্য আছে বিল্ট-ইন স্টিরিও স্পিকার আর ডলবি অ্যাটমোস।

Dimensions & Build Quality

ফোনটির উচ্চতা ১৫০ মিমি, প্রস্থ ৭১.৯ মিমি আর পুরুত্ব মাত্র ৮.৭৫ মিমি। ওজন ২০৬ গ্রাম। গভীর ব্লু রঙটি দেখতে আপাদমস্তক প্রিমিয়াম।

কার জন্য এই iPhone 17 Pro?

আপনি যদি প্রফেশনাল ফটোগ্রাফি পছন্দ করেন, তাহলে তিনটে 48 এমপি লেন্স আপনার কাজকে সহজ করে দেবে। আর যদি গেমার হন বা ভিডিও এডিট করেন, তাহলে A19চিপ আর 120Hz ডিসপ্লে মসৃণ অভিজ্ঞতা দেবে।

আরও পড়ুন: xiaomi 18 Pro-তে আসছে Dual 200MP ক্যামেরা ও 7000mAh ব্যাটারি, জানুন সম্ভাব্য ফিচার

oneplus pad 4 price in india: OnePlus Pad 4 ভারতে লঞ্চ হচ্ছে 30 এপ্রিল, Snapdragon 8 Elite চিপ, বিশাল ব্যাটারি আর 3.4K ডিসপ্লে নিয়ে আসছে এই ফ্ল্যাগশিপ ট্যাবলেট

oneplus pad 4 price in india: OnePlus Pad 4 ভারতে লঞ্চ হচ্ছে 30 এপ্রিল

oneplus pad 4 price in india: OnePlus ব্র্যান্ডটির নতুন ফ্ল্যাগশিপ ট্যাবলেট ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হতে চলেছে 30 এপ্রিল, 2026। শুধু লঞ্চের তারিখ নয়, OnePlus ইতিমধ্যে ডিভাইসটির ডিজাইন, প্রসেসর এবং বেশ কিছু মূল স্পেসিফিকেশনও প্রকাশ করেছে। যারা বড় স্ক্রিন, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি এবং ফ্ল্যাগশিপ মানের পারফরম্যান্স চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে এই মুহূর্তের সবচেয়ে আকর্ষণীয় Android ট্যাবলেট।

OnePlus Pad 4 Full Specifications

OnePlus Pad 4-এর মূল স্পেসিফিকেশনগুলো একনজরে দেখে নেওয়া যাক:

  • Processor: Snapdragon 8 Elite Gen 5 (4nm)
  • Display: 13.2-inch, 3.4K IPS LCD, 144Hz refresh rate
  • RAM: 12GB LPDDR5X
  • Storage: 512GB
  • Battery: 13,380 mAh, 80W SUPERVOOC charging
  • OS: OxygenOS (Android ভিত্তিক)
  • AnTuTu Score: 4.1 million-এর বেশি
  • Accessories: OnePlus Stylo Pro stylus ও Smart Keyboard সাপোর্ট
  • Launch Date (India): 30 এপ্রিল, 2026

OnePlus Pad 4 Display ও Design

oneplus pad 4 price in india: OnePlus Pad 4-এ রয়েছে একটি বিশাল 13.2-inch ডিসপ্লে, যার রেজোলিউশন 3.4K। এটি একটি IPS LCD প্যানেল, যেখানে 144Hz রিফ্রেশ রেট সাপোর্ট দেওয়া হয়েছে। ফলে স্ক্রলিং থেকে শুরু করে গেমিং — সবকিছুতেই অনুভূতি থাকবে অত্যন্ত মসৃণ। ডিজাইনের দিক থেকে ট্যাবলেটটি বেশ পাতলা এবং প্রিমিয়াম দেখতে। অফিসিয়াল টিজারে এটিকে গাঢ় বাদামী (Mocha Brown) রঙে দেখা গেছে। উপরের বাম কোণে রয়েছে একটি পিল-আকৃতির ক্যামেরা মডিউল। Samsung Galaxy Tab S11 সিরিজের মতো প্রতিযোগীরা AMOLED ডিসপ্লে অফার করে, কিন্তু OnePlus Pad 4-এ LCD প্যানেল রাখা হয়েছে।

OnePlus Pad 4 Processor ও Performance

Pad 4-এ রয়েছে Qualcomm-এর সর্বশেষ Snapdragon 8 Elite Gen 5 চিপসেট, যা বর্তমানে Android বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মোবাইল প্রসেসরগুলির একটি। এই চিপটি মাল্টিটাস্কিং, ভিডিও এডিটিং, গেমিং এবং AI-চালিত কাজের ক্ষেত্রে অসাধারণ ক্ষমতা রাখে। OnePlus জানিয়েছে যে Pad 4-এর AnTuTu benchmark স্কোর 4.1 million ছাড়িয়ে যাবে, যা বর্তমান ট্যাবলেট বাজারে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

আরও পড়ুন: oneplus nord 6 launch date: 9,000mAh ব্যাটারি, 165Hz OLED Display — লঞ্চের আগেই ফাঁস দাম ও সম্পূর্ণ Specifications

OnePlus Pad 4 RAM ও Storage Details

OnePlus Pad 4 পাওয়া যাবে 12GB LPDDR5X RAM পর্যন্ত। Storage-এর ক্ষেত্রে 512GB পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে, যা ছবি, ভিডিও, অ্যাপ এবং ডকুমেন্ট রাখার জন্য যথেষ্ট।

OnePlus Pad 4 Battery Capacity ও Backup

Pad 4-এর সবচেয়ে সেরা দিকগুলির একটি হলো এর ব্যাটারি। 13,380 mAh-এর এই বিশাল ব্যাটারি এই সেগমেন্ট। OnePlus দাবি করেছে যে এই ব্যাটারি একদিনের বেশি সময় ধরে ডিভাইসটিকে চালু রাখতে সক্ষম হবে। আর চার্জিং স্পিড — 80W SUPERVOOC ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট থাকায় এই বড় ব্যাটারিটিও অল্প সময়ে চার্জ হয়ে যাবে।

OnePlus Pad 4 Release Date

oneplus pad 4 price in india: ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হবে 30 এপ্রিল, 2026 তারিখে। গত বছর OnePlus Pad 3 লঞ্চ হয়েছিল সেপ্টেম্বরে, এবার লঞ্চ সময়সূচি এগিয়ে আনা হয়েছে। OnePlus এই বছর তাদের প্রোডাক্ট লঞ্চ আরও দ্রুত করেছে, যার ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল OnePlus Nord 6 লঞ্চের সময়ে।

OnePlus Pad 4 Price in India

Pad 4-এর আনুষ্ঠানিক দাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে OnePlus এবারও ফ্ল্যাগশিপ মানের একটি ট্যাবলেট তুলনামূলক কম দামে বাজারে আনবে। OnePlus Pad 3-এর দাম বিচার করলে Pad 4-এর দাম প্রতিযোগিতামূলক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। 30 এপ্রিলের অফিসিয়াল লঞ্চে দাম ঘোষণার পরেই পরিষ্কার তথ্য পাওয়া যাবে।

oneplus pad 4 price in india: OnePlus Pad 4-এর পূর্বসূরী Pad 3-এর তুলনায় এবার প্রসেসর এবং ব্যাটারি — দুটোতেই অনেক উন্নতি এসেছে। ডিসপ্লের আকার ও রিফ্রেশ রেট মূলত একই থাকলেও নতুন চিপসেট এবং বড় ব্যাটারি মিলিয়ে এটি একটি বড় আপগ্রেড। ক্যামেরার দিক থেকে এখনও বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে টিজারে পিল-আকৃতির ডুয়েল ক্যামেরা মডিউল দেখা গেছে। Samsung Galaxy Tab S11 বা iPad-এর মতো প্রিমিয়াম ট্যাবলেটের তুলনায় OnePlus Pad 4 দামের দিক থেকে অনেকটাই কম হবে বলে আশা করা যায়।

আরও পড়ুন: OnePlus Nord 6 Review: 9,000mAh ব্যাটারি ও Snapdragon 8 Gen 4—মিড-রেঞ্জে বড় চমক

9,999 টাকায় অসম্ভবকে সম্ভব করল Ai+ PulseTab! 10.95″ ডিসপ্লে + 8,000mAh ব্যাটারি + Android 16, এখন বাংলায় স্মার্ট ট্যাব বিপ্লব!

Ai+ ব্র্যান্ড তাদের প্রথম ট্যাবলেট Ai+ PulseTab লঞ্চ করেছে মাত্র ৯,৯৯৯ টাকায়। একটি বড় অনুষ্ঠানে Nova 2 সিরিজের স্মার্টফোন এবং Nova Flip ফোল্ডেবলের পাশাপাশি এই ট্যাবলেটটিও উন্মোচন করা হয়। যারা কম বাজেটে একটি ভালো ট্যাবলেট খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি সেরা Tablet।

Ai+ PulseTab Display

Ai+ PulseTab-এ রয়েছে 10.95-ইঞ্চি FHD ডিসপ্লে, রিফ্রেশ রেট 90Hz। এই আকারের ডিসপ্লে কনটেন্ট স্ট্রিমিং, বই পড়া বা অনলাইন ক্লাসের জন্য বেশ উপযুক্ত। 90Hz রিফ্রেশ রেট মানে স্ক্রোলিং এবং অ্যাপ নেভিগেশন মসৃণ লাগবে, যেটা এই দামে সচরাচর পাওয়া যায় না।

Ai+ PulseTab Performance

ট্যাবলেটটি চালিত হয় MediaTek Helio G88 চিপসেট দিয়ে, সঙ্গে রয়েছে 6GB RAM এবং 128GB স্টোরেজপ্রতিদিনের কাজ, সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং এবং হালকা গেমিং এই চিপসেটে ঠিকঠাক চলবে। স্টোরেজ প্রয়োজন হলে 1TB পর্যন্ত বাড়ানো যাবে মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে। সফটওয়্যারে রয়েছে সর্বশেষ Android 16, যা এই দামের ট্যাবলেটে বেশ উল্লেখযোগ্য সংযোজন।

Ai+ PulseTab Camera

PulseTab-এ রয়েছে 13MP অটোফোকাস রিয়ার ক্যামেরা এবং 8MP ফ্রন্ট ক্যামেরা। ট্যাবলেটের ক্যামেরা সাধারণত পেশাদার ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহার হয় না, তবে ভিডিও কল, ডকুমেন্ট স্ক্যান বা সাধারণ ছবি তোলার জন্য এই স্পেসিফিকেশন যথেষ্ট। ফ্রন্ট ক্যামেরাটি অনলাইন ক্লাস বা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে সহায়ক হবে।

Battery & Charging

8,000mAh ব্যাটারি এই ট্যাবলেটের অন্যতম বড় আকর্ষণ। সঙ্গে রয়েছে Fast Charging সাপোর্ট, যা দ্রুত চার্জ দিতে সক্ষম। এছাড়া Quad Speaker থাকায় মিডিয়া দেখার অভিজ্ঞতা আরও উন্নত হবে — বিশেষ করে যারা হেডফোন ছাড়াই সিনেমা বা মিউজিক উপভোগ করেন। কানেক্টিভিটির দিক থেকে রয়েছে Dual SIM + Wi-Fi সাপোর্ট, অর্থাৎ সিম কার্ড ব্যবহার করেও ইন্টারনেট চালানো যাবে।

Price Details

Ai+ PulseTab একটিমাত্র ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে — 6GB RAM + 128GB স্টোরেজ, যার দাম 9,999 টাকা। মে মাস থেকে বিক্রি শুরু হবে, তবে নির্দিষ্ট তারিখ এখনও জানানো হয়নি। ট্যাবলেটটি Flipkart এবং নির্বাচিত রিটেইল আউটলেটে পাওয়া যাবে।

10,000 টাকার নিচে যারা একটি বড় ডিসপ্লের ট্যাবলেট চাইছেন, Ai+ PulseTab তাদের জন্য এটি একটি বিকল্প। 10.95 ইঞ্চি FHD ডিসপ্লে, 90Hz রিফ্রেশ রেট, 8000mAh ব্যাটারি, Quad Speaker এবং Android 16 — এই দামে এতগুলো ফিচার একসঙ্গে পাওয়া বিরল। ক্যামেরা বা প্রসেসর হয়তো পেশাদার ব্যবহারের জন্য নয়, কিন্তু পড়াশোনা, কনটেন্ট দেখা বা হালকা কাজের জন্য এটি একটি সৎ এবং সাশ্রয়ী ট্যাবলেট।

আরও পড়ুন: Motorola Edge 70 Pro আসছে 6500mAh ব্যাটারি ও Sony Lytia ক্যামেরা নিয়ে,ডিজাইন থেকে স্পেসিফিকেশন সব ফাঁস—মিড-রেঞ্জে ঝড় তুলবে!

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যান — 28 দিনের ঝামেলা শেষ, পুরো মাসের মেয়াদ ও গুগল জেমিনি প্রো ফ্রি

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যানে পাচ্ছেন পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ, দৈনিক 1.5 জিবি ডেটা এবং 18 মাসের গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে। জানুন জিও 339 বনাম 349 প্ল্যানের পার্থক্য।

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যান — পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ এবং গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে

রিলায়েন্স জিও এবার তার প্রিপেইড গ্রাহকদের জন্য একটি নতুন প্ল্যান চালু করেছে, যার দাম ধরা হয়েছে 339 টাকা। এই প্ল্যানটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কারণ এখানে 28 দিনের plan এর বাইরে গিয়ে পুরো এক ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, কোনো গ্রাহক যদি মাসের ১০ তারিখে রিচার্জ করেন, তাহলে পরের মাসের ঠিক ১০ তারিখে তাঁর প্ল্যানের মেয়াদ শেষ হবে — মাসটি ৩০ দিনের হোক বা ৩১ দিনের।

দেশের টেলিকম বাজারে দীর্ঘদিন ধরে ২৮ দিনের প্ল্যান নিয়ে গ্রাহকদের একটি বড় অভিযোগ ছিল। বছরে ১৩ বার রিচার্জ করতে হওয়ার ঝামেলা এবং মাসের শেষ দিনগুলোতে ডেটা শেষ হয়ে যাওয়ার সমস্যা অনেককেই ভোগান্তিতে ফেলত। জিওর এই নতুন উদ্যোগ সেই পুরনো সমস্যার একটি সরাসরি সমাধান।

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যানে পাচ্ছেন পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ, দৈনিক 1.5 জিবি ডেটা এবং 18 মাসের গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে।
জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যানে পাচ্ছেন পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ, দৈনিক 1.5 জিবি ডেটা এবং 18 মাসের গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে।

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যান — কি কি সুবিধা দেবে

দাম : ৩৩৯ টাকা — ৩৪৯ টাকার প্ল্যানের চেয়ে ১০ টাকা সস্তা

মেয়াদ: পুরো এক ক্যালেন্ডার মাস (৩০ বা ৩১ দিন)

দৈনিক ডেটা: ১.৫ জিবি

কলিং: সমস্ত নেটওয়ার্কে আনলিমিটেড

এসএমএস: প্রতিদিন ১০০টি

গুগল জেমিনি প্রো সাবস্ক্রিপশন: ১৮ মাসের জন্য বিনামূল্যে

জিওএআইক্লাউডে ৫ টিবি স্টোরেজ এবং জিওটিভি অ্যাক্সেস

জিওর 349 টাকার প্ল্যানে প্রতিদিন ২ জিবি ডেটা পাওয়া যায়, তবে সেটি মাত্র ২৮ দিনের জন্য। নতুন ৩৩৯ টাকার প্ল্যানে দৈনিক ডেটার পরিমাণ কিছুটা কম — ১.৫ জিবি — কিন্তু মেয়াদ বেশি। হিসাব করলে দেখা যায়, ৩০ বা ৩১ দিনের মাসে এই প্ল্যানে গ্রাহকরা মোটের ওপর বেশি ডেটা পাবেন, কারণ অতিরিক্ত দিনগুলোতেও প্রতিদিনের কোটা চালু থাকে। যে গ্রাহকরা প্রতিদিন গড়ে ১.৫ জিবির কম ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এই প্ল্যানটিই বেশি সাশ্রয়ী।

৩৩৯ টাকার প্ল্যানের একটি অতিরিক্ত সুবিধা হলো গুগল জেমিনি প্রো-র ১৮ মাসের বিনামূল্যে অ্যাক্সেস। তবে এই সুবিধা পেতে হলে গ্রাহককে একটি শর্ত মেনে চলতে হবে — সক্রিয় প্ল্যানে প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ জিবি ডেটা এবং সর্বনিম্ন ২৯৯ টাকার প্ল্যান বজায় রাখতে হবে। কেউ যদি পরবর্তীতে সস্তা কোনো প্ল্যানে চলে যান, তাহলে জেমিনি প্রো অ্যাক্সেস স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। জিওএআইক্লাউডে 5 টিবি স্টোরেজের সুবিধাটিও একইভাবে শর্তসাপেক্ষ। গ্রাহকদের এই বিষয়টি মাথায় রেখে ভবিষ্যতের রিচার্জ পরিকল্পনা করা উচিত।

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যানে পাচ্ছেন পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ, দৈনিক 1.5 জিবি ডেটা এবং 18 মাসের গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে।
জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যানে পাচ্ছেন পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ, দৈনিক 1.5 জিবি ডেটা এবং 18 মাসের গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে।

ভারতের টেলিকম বাজারে এই মুহূর্তে প্রতিযোগিতা তীব্র। এয়ারটেলের সবচেয়ে সস্তা প্রিপেইড প্ল্যানটির দাম ৩৯৯ টাকা, আর ভোডাফোন আইডিয়া বা ভিআই-এর সমতুল্য প্ল্যানে খরচ পড়ে ৩৪৯ টাকা। সেই হিসাবে জিওর ৩৩৯ টাকার প্ল্যানটি বাজারে সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। পাশাপাশি, ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ এবং গুগল জেমিনি প্রো অন্তর্ভুক্তি এই প্ল্যানকে একটি আলাদা মাত্রা দিচ্ছে।

যাঁরা মাসে মাসে নির্দিষ্ট তারিখে রিচার্জ মনে রাখতে পছন্দ করেন, প্রতিদিন সাধারণ ব্রাউজিং বা সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে খুব বেশি ডেটা ব্যবহার করেন না এবং গুগল জেমিনি বা ক্লাউড স্টোরেজের মতো এআই সরঞ্জামে আগ্রহী — তাদের জন্য ৩৩৯ টাকার এই প্ল্যানটি স্বাভাবিক পছন্দ। বিপরীতে, যারা প্রতিদিন ভারী ডেটা ব্যবহার করেন, তাদের ৩৪৯ টাকার প্ল্যানে থাকাই বেশি যুক্তিসঙ্গত।

আরও পড়ুন: OnePlus Nord 6 Review: 9,000mAh ব্যাটারি ও Snapdragon 8 Gen 4—মিড-রেঞ্জে বড় চমক

india bans chinese cctv: ১ এপ্রিল থেকে এই সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো ভারতে আর বিক্রি হবে না। CCTV কেনার আগে সতর্ক হোন!

india bans chinese cctv: নিরাপত্তার ঢাল তুলে চীনা সিসিটিভিকে বাজার থেকে সরাচ্ছে ভারত

India Bans Chinese Cctv: নিরাপত্তার ঢাল তুলে চীনা সিসিটিভিকে বাজার থেকে সরাচ্ছে ভারত

১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে যেকোনো ইন্টারনেট-সংযুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রির আগে সরকার নির্ধারিত STQC সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে। এই সার্টিফিকেশন ছাড়া ক্যামেরা বাজারে রাখা যাবে না। যে ব্র্যান্ডগুলো এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে না বা পরীক্ষায় অংশ নেবে না, তাদের জন্য ভারতের বিশাল বাজারে আর ব্যবসা করার সুযোগ থাকছে না। এই সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে রয়েছে মূলত চীনা প্রযুক্তির প্রতি দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা উদ্বেগ। হিকভিশন এবং দাহুয়া টেকনোলজি এখন পর্যন্ত ভারতের বাজারে সিসিটিভি সরবরাহের সবচেয়ে বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করত। টিপি-লিঙ্কও স্মার্ট হোম সেগমেন্টে যথেষ্ট প্রভাব রেখেছিল। এই নিয়মটি তাদের ব্যবসার ওপর সরাসরি আঘাত করবে।

india bans chinese cctv:  নিরাপত্তার ঢাল তুলে চীনা সিসিটিভিকে বাজার থেকে সরাচ্ছে ভারত
                                                                       india bans chinese cctv: নিরাপত্তার ঢাল তুলে চীনা সিসিটিভিকে বাজার থেকে সরাচ্ছে ভারত

এই বিষয়টি আচমকা নয়। ২০২১ সালে সরকারের নজরে আসে যে দেশের জনসাধারণের ব্যবহারে থাকা অসংখ্য সিসিটিভি ক্যামেরার উৎস চীনা প্রস্তুতকারীরা। প্রশ্ন ওঠে, এই ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে সংগ্রহ করা ডেটা আসলে কোথায় যাচ্ছে এবং বিদেশি সার্ভার থেকে সেগুলো অ্যাক্সেস করার সুযোগ আছে কি না। সেই সময় থেকে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ক্রমাগত এ বিষয়ে সতর্ক করে আসছিলেন। ২০২৪ সালে সিসিটিভি ডিভাইসগুলোকে আরও কঠোর নিয়মের আওতায় আনা হয়। সেই পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় এবার বাধ্যতামূলক সার্টিফিকেশনের বিধান চালু হচ্ছে। অর্থাৎ, এটি কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং কয়েক বছর ধরে তৈরি হওয়া একটি কাঠামোবদ্ধ নীতির পরিণতি। সার্টিফিকেশন না থাকলে বিক্রি নেই। কোনো ব্যতিক্রম নেই, কোনো ছাড় নেই।

STQC পরীক্ষা আসলে কী যাচাই করে

india bans chinese cctv: STQC মানে Standardisation Testing and Quality Certification। এটি শুধু দেখে না যে ক্যামেরাটি কাজ করছে কি না। এই পরীক্ষায় ডিভাইসের ভেতরের ফার্মওয়্যার, ডেটা এনক্রিপশনের মান, অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকানোর ক্ষমতা এবং হার্ডওয়্যারের উৎস পর্যন্ত খতিয়ে দেখা হয়। যেহেতু এই ক্যামেরাগুলো IoT ডিভাইস হিসেবে কাজ করে, তাই সেগুলো কীভাবে ইন্টারনেটে তথ্য পাঠায় এবং বাইরে থেকে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব কি না, সেটাও পরীক্ষার আওতায় পড়ে। স্থানীয়ভাবে একত্রিত করা পণ্যও এই প্রক্রিয়া থেকে ছাড় পাবে না।

যে ব্র্যান্ডগুলো আগে বাজারের সিংহভাগ ধরে রেখেছিল, তারা এখন হয় পিছিয়ে যাচ্ছে, না হয় নতুন করে তাদের ব্যবসার কৌশল ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছে। স্মার্ট ডিভাইসগুলি শাওমি ও রিয়েলমিও তাদের ব্যবসা কমিয়ে এনেছে, কারণ এই নতুন বিধি মেনে চলা তাদের জন্য জটিল ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। এই খালি বাজার পূরণ করছে ভারতীয় কোম্পানিগুলো। Qubo, CP Plus, Prama, Matrix Comsec এবং Sparsh CCTV এখন বাজারের বড় অংশ নিজেদের মুঠোয় নিচ্ছে।

যে কেউ এখন সিসিটিভি কিনতে চাইলে সার্টিফিকেশনের বিষয়টি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। একটি ইন্টারনেট-সংযুক্ত ক্যামেরা সর্বদা ডেটা পাঠায় বা সংরক্ষণ করে। ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটা একটি অতিরিক্ত বিষয় নয়, এটি কেনাকাটার মূল শর্তের মধ্যেই পড়ে। বাড়ির জন্য Qubo ও CP Plus বিভিন্ন অ্যাপ সাপোর্ট ও স্মার্ট হোম ইন্টিগ্রেশনসহ 2,500 থেকে 5,000 টাকার মধ্যে একাধিক বিকল্প দিচ্ছে। বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য Bosch বা Honeywell সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বিকল্প হিসেবে বাজারে আছে।

india bans chinese cctv: এটি ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো রক্ষার একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ। স্মার্ট শহর, রেলস্টেশন, বিমানবন্দর, বাজার থেকে আবাসিক এলাকা, সর্বত্র সিসিটিভির জাল ছড়িয়ে পড়েছে। এই নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দুর্বলতার উৎস হয়ে উঠতে পারে। ভারত সেই ঝুঁকি নিতে রাজি নয়।

আরও পড়ুন: ৩১ মার্চ আসছে Lava Bold N2 Pro 4G, 5000mAh ব্যাটারি, IP54 রেটিং দাম কত হতে পারে?

Vivo V70 FE নিয়ে আসছে 200MP ক্যামেরা, 7000mAh ব্যাটারি ও 90W চার্জিং,মিডরেঞ্জে নতুন চমক!

আপনি যদি মিড-রেঞ্জে একটা ভালো ক্যামেরা ফোন খুঁজছেন যে দীর্ঘক্ষণ ব্যাটারি চলবে এবং দেখতেও আলাদা হবে, তাহলে Vivo V70 FE আপনার জন্য সেরা অপশন হতে পারে। Vivo-এর V70 সিরিজের তৃতীয় মডেল এবং প্রথম Fan Edition (FE) ভ্যারিয়েন্টটি আগামী ২ এপ্রিল দুপুর ১২টায় ভারতে লঞ্চ হতে চলেছে। 200 মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা, 7000mAh ব্যাটারি এবং সুন্দর ডিজাইন নিয়ে এই ফোনটি নামছে। লঞ্চ ইভেন্টটি Vivo-এর অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া এবং YouTube চ্যানেলে লাইভ দেখা যাবে।

Vivo V70 FE ২ এপ্রিল ভারতে লঞ্চ হচ্ছে। source (x)
Vivo V70 FE ২ এপ্রিল ভারতে লঞ্চ হচ্ছে। source (x)

Design

Vivo V70 FE-এর ডিজাইন সিরিজের অন্য মডেলগুলো থেকে স্পষ্টভাবে আলাদা। এতে রয়েছে আয়তাকার ক্যামেরা মডিউল, যেখানে দুটি পৃথক ক্যামেরা রিং এবং একটি রিং লাইট Aura Light দেখা যাচ্ছে। মডিউলটি কিছুটা উঁচু হয়ে আছে এবং তাতে ‘200MP’ লেখা রয়েছে। ফোনটির এজ ফ্ল্যাট, ডানদিকে ভলিউম রকার ও পাওয়ার বাটন এবং উপরে স্পিকার গ্রিল রয়েছে। কালার অপশনও দুটিও বেশ আকর্ষণীয়: 1) Northern Lights পার্পল. 2) Monsoon Blue

Display

Vivo V70 FE-তে রয়েছে বড় 6.83 ইঞ্চির 1.5K AMOLED ডিসপ্লে 120Hz রিফ্রেশ রেট সহ। উজ্জ্বলতা, কালার অ্যাকুরেসি এবং AMOLED-এর গভীর কালোর কারণে মাল্টিমিডিয়া কনজাম্পশনের জন্য এটি বেশ ভালো হবে। ইন-ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারও থাকছে, যা দ্রুত এবং নিরাপদ।

Performance

পারফরম্যান্সের জন্য Vivo V70 FE-তে ব্যবহার করা হয়েছে, MediaTek Dimensity 7360 Turbo চিপসেট। এটি 4nm প্রসেসে তৈরি এবং দৈনন্দিন কাজ, মাল্টিটাস্কিং এবং মাঝারি গেমিংয়ে ভালো পারফর্ম করবে।সাথে থাকছে 8GB বা 12GB LPDDR5 RAMএবং 128GB/256GB/512GB UFS 3.1 স্টোরেজ। ফোনটি Android 16 ভিত্তিক OriginOS 6-এ চলবে। তবে সোশ্যাল মিডিয়া, স্ট্রিমিং, ফটোগ্রাফি এবং সাধারণ ব্যবহারের জন্য মসৃণ অভিজ্ঞতা দিতে সক্ষম। Vivo ছয় বছর পর্যন্ত সিকিউরিটি আপডেটের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

Camera

ক্যামেরা ডিপার্টমেন্টে Vivo V70 FE-এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ২০০ মেগাপিক্সেল OIS প্রাইমারি সেন্সর। সাথে রয়েছে 8 মেগাপিক্সেল আলট্রাওয়াইড লেন্স। সামনে 32 মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা আছে। Vivo এই ফোনে প্রো-লেভেল পোর্ট্রেট ফটোগ্রাফির উপর জোর দিয়েছে। রিয়ারে Aura Light থাকায় লো-লাইট পোর্ট্রেটেও ভালো ফলাফল আশা করা যায়। তবে টেলিফটো লেন্স নেই, যা স্ট্যান্ডার্ড V70 সিরিজে থাকে।

Battery & Charging

ব্যাটারি এই ফোনের আরেকটি ভালো দিক হল 7,000mAh ব্যাটারি দিয়ে একদিনের বেশি ব্যবহার সহজেই চলে যাবে। সাথে 90W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট থাকায় ফোন দ্রুত চার্জ হয়ে যাবে।

Vivo V70 FE Price Details

Vivo V70 FE ভারতে 30,000 হাজার থেকে 40,000 হাজার টাকার মধ্যে লঞ্চ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু রিপোর্ট অনুসারে বেস ভ্যারিয়েন্টের দাম প্রায় 35,000 হাজার থেকে 38,000 hazar টাকার কাছাকাছি হতে পারে।

Vivo V70 FE-এর আগের সিরিজে দাম অনেক বেশি ছিল, কিন্তু এই Fan Edition-এ কম দামে বড় 6.83 ইঞ্চি 120Hz AMOLED ডিসপ্লে, 200MP ক্যামেরা, 7000mAh ব্যাটারি এবং 90W চার্জিংয়ের মতো ফিচার দেওয়া হয়েছে। যারা ক্যামেরা-কেন্দ্রিক এবং দীর্ঘ ব্যাটারি লাইফ চান, তাদের জন্য এটি ভালো। তবে লঞ্চের পর পুরো রিভিউ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াই ভালো

আরও পড়ুন: Ai+ Nova 2 5G ও Nova 2 Ultra 5G ৯ এপ্রিল লঞ্চ হচ্ছে,কাস্টমাইজযোগ্য রিয়ার লাইট সহ কম দামে 5G ফোনের নতুন সারপ্রাইজ