9,999 টাকায় অসম্ভবকে সম্ভব করল Ai+ PulseTab! 10.95″ ডিসপ্লে + 8,000mAh ব্যাটারি + Android 16, এখন বাংলায় স্মার্ট ট্যাব বিপ্লব!

Ai+ ব্র্যান্ড তাদের প্রথম ট্যাবলেট Ai+ PulseTab লঞ্চ করেছে মাত্র ৯,৯৯৯ টাকায়। একটি বড় অনুষ্ঠানে Nova 2 সিরিজের স্মার্টফোন এবং Nova Flip ফোল্ডেবলের পাশাপাশি এই ট্যাবলেটটিও উন্মোচন করা হয়। যারা কম বাজেটে একটি ভালো ট্যাবলেট খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি সেরা Tablet।

Ai+ PulseTab Display

Ai+ PulseTab-এ রয়েছে 10.95-ইঞ্চি FHD ডিসপ্লে, রিফ্রেশ রেট 90Hz। এই আকারের ডিসপ্লে কনটেন্ট স্ট্রিমিং, বই পড়া বা অনলাইন ক্লাসের জন্য বেশ উপযুক্ত। 90Hz রিফ্রেশ রেট মানে স্ক্রোলিং এবং অ্যাপ নেভিগেশন মসৃণ লাগবে, যেটা এই দামে সচরাচর পাওয়া যায় না।

Ai+ PulseTab Performance

ট্যাবলেটটি চালিত হয় MediaTek Helio G88 চিপসেট দিয়ে, সঙ্গে রয়েছে 6GB RAM এবং 128GB স্টোরেজপ্রতিদিনের কাজ, সোশ্যাল মিডিয়া ব্রাউজিং এবং হালকা গেমিং এই চিপসেটে ঠিকঠাক চলবে। স্টোরেজ প্রয়োজন হলে 1TB পর্যন্ত বাড়ানো যাবে মাইক্রো এসডি কার্ডের মাধ্যমে। সফটওয়্যারে রয়েছে সর্বশেষ Android 16, যা এই দামের ট্যাবলেটে বেশ উল্লেখযোগ্য সংযোজন।

Ai+ PulseTab Camera

PulseTab-এ রয়েছে 13MP অটোফোকাস রিয়ার ক্যামেরা এবং 8MP ফ্রন্ট ক্যামেরা। ট্যাবলেটের ক্যামেরা সাধারণত পেশাদার ফটোগ্রাফির জন্য ব্যবহার হয় না, তবে ভিডিও কল, ডকুমেন্ট স্ক্যান বা সাধারণ ছবি তোলার জন্য এই স্পেসিফিকেশন যথেষ্ট। ফ্রন্ট ক্যামেরাটি অনলাইন ক্লাস বা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে সহায়ক হবে।

Battery & Charging

8,000mAh ব্যাটারি এই ট্যাবলেটের অন্যতম বড় আকর্ষণ। সঙ্গে রয়েছে Fast Charging সাপোর্ট, যা দ্রুত চার্জ দিতে সক্ষম। এছাড়া Quad Speaker থাকায় মিডিয়া দেখার অভিজ্ঞতা আরও উন্নত হবে — বিশেষ করে যারা হেডফোন ছাড়াই সিনেমা বা মিউজিক উপভোগ করেন। কানেক্টিভিটির দিক থেকে রয়েছে Dual SIM + Wi-Fi সাপোর্ট, অর্থাৎ সিম কার্ড ব্যবহার করেও ইন্টারনেট চালানো যাবে।

Price Details

Ai+ PulseTab একটিমাত্র ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে — 6GB RAM + 128GB স্টোরেজ, যার দাম 9,999 টাকা। মে মাস থেকে বিক্রি শুরু হবে, তবে নির্দিষ্ট তারিখ এখনও জানানো হয়নি। ট্যাবলেটটি Flipkart এবং নির্বাচিত রিটেইল আউটলেটে পাওয়া যাবে।

10,000 টাকার নিচে যারা একটি বড় ডিসপ্লের ট্যাবলেট চাইছেন, Ai+ PulseTab তাদের জন্য এটি একটি বিকল্প। 10.95 ইঞ্চি FHD ডিসপ্লে, 90Hz রিফ্রেশ রেট, 8000mAh ব্যাটারি, Quad Speaker এবং Android 16 — এই দামে এতগুলো ফিচার একসঙ্গে পাওয়া বিরল। ক্যামেরা বা প্রসেসর হয়তো পেশাদার ব্যবহারের জন্য নয়, কিন্তু পড়াশোনা, কনটেন্ট দেখা বা হালকা কাজের জন্য এটি একটি সৎ এবং সাশ্রয়ী ট্যাবলেট।

আরও পড়ুন: Motorola Edge 70 Pro আসছে 6500mAh ব্যাটারি ও Sony Lytia ক্যামেরা নিয়ে,ডিজাইন থেকে স্পেসিফিকেশন সব ফাঁস—মিড-রেঞ্জে ঝড় তুলবে!

Motorola Edge 70 Pro আসছে 6500mAh ব্যাটারি ও Sony Lytia ক্যামেরা নিয়ে,ডিজাইন থেকে স্পেসিফিকেশন সব ফাঁস—মিড-রেঞ্জে ঝড় তুলবে!

Motorola Edge 70 Pro আসছে, কাঠের ব্যাক, 6500mAh ব্যাটারি আর Sony ক্যামেরা নিয়ে

Motorola Edge 70 Pro: কাঠ, কাপড় আর ম্যাট ফিনিশে আসছে নতুন প্রো স্মার্টফোন

Motorola-র Edge সিরিজ নিয়ে আসছে এবার Motorola Edge 70 Pro — এবং লঞ্চের আগেই এটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। ফাঁস হওয়া রেন্ডার ও সার্টিফিকেশন ডকুমেন্ট থেকে জানা গেছে ফোনটির ডিজাইন থেকে শুরু করে হার্ডওয়্যার পর্যন্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। শুধু কালার বদলানো নয়, এবার Motorola একটা আলাদা পরিচয় তৈরি করতে চাইছে — ডিজাইনে এবং পারফরম্যান্সে।

Motorola Edge 70 Pro আসছে, কাঠের ব্যাক, 6500mAh ব্যাটারি আর Sony ক্যামেরা নিয়ে
Motorola Edge 70 Pro আসছে, কাঠের ব্যাক, 6500mAh ব্যাটারি আর Sony ক্যামেরা নিয়ে

Motorola Edge 70 Pro Design

YTECHB শেয়ার করা রেন্ডার অনুযায়ী ফোনটি 3টি আলাদা ফিনিশে আসবে — প্রতিটিতে শুধু কালার নয়, সম্পূর্ণ আলাদা উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে।

  • Pantone Titan (নীল): কাপড়ের মতো টেক্সচার, যা Motorola আগেও ব্যবহার করেছে।
  • Pantone Zinfandel (মেরুন): ব্রাশড ম্যাট ফিনিশ, পরিশীলিত এবং প্রিমিয়াম অনুভূতির।
  • Wood Texture ভ্যারিয়েন্ট: কাঠের ব্যাক, যা Razr 60 Ultra-তেও দেখা গেছে।

পিছনে একটি বড় ফ্ল্যাশ ইউনিট রয়েছে এবং বাম পাশে নতুন AI Key যোগ করা হয়েছে, যেটা দিয়ে সরাসরি AI ফিচারে ঢোকা যাবে। সার্বিকভাবে ফোনটি Edge সিরিজের চেনা ছাঁচেই তৈরি — পাতলা বেজেল, গোলাকার কোণা এবং Edge 70 Fusion-এর মতো ক্যামেরা মডিউল।

Motorola Edge 70 Pro Display

Edge 70 Pro-এ থাকছে একটি Quad-Curved HDR10+ ডিসপ্লে। HDR10+ সার্টিফিকেশন মানে Netflix বা YouTube-এ হাই-কন্ট্রাস্ট কনটেন্ট দেখার অনেক স্মুথ হবে। ডিসপ্লের আকার বা রিফ্রেশ রেট এখনও নিশ্চিত নয়, তবে Edge সিরিজের ধারা মেনে এটি AMOLED প্যানেল হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

Motorola Edge 70 Pro Performance

হার্ডওয়্যারের দিক থেকে Edge 70 Pro মূলত Edge 60 Pro-এর সরাসরি উত্তরসূরি। প্রসেসর কোনটি হবে সেটা এখনও নিশ্চিত নয়, তবে কানেক্টিভিটি ফিচারগুলো বেশ শক্তিশালী।যে গুলি থাকবে কানেক্টিভিটি:

  • 5G সাপোর্ট
  • Wi-Fi 6E
  • Bluetooth লেটেস্ট ভার্সন
  • NFC — মোবাইল পেমেন্টের জন্য

বাম পাশের নতুন AI Key ফিচারটি ডিভাইসের AI টুলগুলো দ্রুত অ্যাক্সেস করার সুবিধা দেবে, যা ধীরে ধীরে Motorola-র একটি অন্য পরিচয় হয়ে উঠছে।

Motorola Edge 70 Pro Camera

Edge 70 Pro-এ থাকছে Sony Lytia ক্যামেরা সিস্টেম, সঙ্গে Super Zoom সাপোর্ট। এটি উন্নত টেলিফোটো লেন্স হতে পারে, অথবা AI-চালিত জুম প্রসেসিং। Sony Lytia সেন্সর এমনিতেই লো-লাইট পারফরম্যান্সে বেশ নির্ভরযোগ্য, এর সঙ্গে Motorola-র নিজস্ব নাইট মোড মিললে ফলাফল ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Motorola Edge 70 Pro Battery & Charging

  • Battery: 6500mAh (Edge 60 Pro-এ ছিল 6000mAh)
  • Fast Charging: 90W

Motorola Edge 70 Pro Price Details

Motorola এখন স্পষ্টতই 40,000 টাকার নিচে এবং 50,000 টাকার নিচের সেগমেন্টকে টার্গেট করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই দামে বাজারে এটি সরাসরি মুখোমুখি হবে OnePlus, iQOO, Vivo এবং Redmi-র প্রিমিয়াম মিড-রেঞ্জ ফোনগুলোর সঙ্গে। উল্লেখ্য, Edge 70 Pro-এর পাশাপাশি একটি Edge 70 Pro+ মডেলও আসতে পারে, যেটি আরও উন্নত স্পেসিফিকেশন নিয়ে আসবে। দুটি ফোনই Motorola-র Signature লাইনআপের নিচে থাকবে। অফিশিয়াল দাম ও লঞ্চ তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

যারা Edge 60 Pro ব্যবহার করছেন বা কেনার কথা ভাবছিলেন, তাদের জন্য Edge 70 Pro একটি লক্ষণীয় আপগ্রেড। 6000mAh থেকে 6500mAh ব্যাটারি, 90W ফাস্ট চার্জিং এবং Sony Lytia ক্যামেরা সিস্টেম — এই তিনটি মিলিয়ে ফোনটি বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে। Display-এ HDR10+ এবং Quad-Curved প্যানেল মানে দেখার অভিজ্ঞতাও উন্নত।

আরও পড়ুন: পেছনে LED ডিসপ্লে, 120 FPS গেমিং, AI বাটন — Infinix Note 60 Pro লঞ্চ 13 এপ্রিল

পেছনে LED ডিসপ্লে, 120 FPS গেমিং, AI বাটন — Infinix Note 60 Pro লঞ্চ 13 এপ্রিল

আগামী 13 এপ্রিল ভারতে লঞ্চ হতে যাওয়া Infinix Note 60 Pro হবে প্রথম কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন-চালিত স্মার্টফোন।

Infinix Note 60 Pro Review: launch date, COD Mobile features

কোম্পানিটি দীর্ঘদিন ধরে মিডিয়াটেক চিপসেটের উপর নির্ভর করে, আগামী 13 এপ্রিল ভারতে লঞ্চ হতে যাওয়া Infinix Note 60 Pro হবে প্রথম কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন-চালিত স্মার্টফোন। শুধু চিপসেট পরিবর্তনই নয়, পেছনের সেকেন্ডারি ডিসপ্লে, COD মোবাইল কোলাবোরেশন এবং ডেডিকেটেড AI বাটন মিলিয়ে এটি ইনফিনিক্সের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী ডিভাইস হতে চলেছে।

Infinix Note 60 Pro-তে ব্যবহার করা হয়েছে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৭এস জেন ৪ প্রসেসর, যা একটি ৪ ন্যানোমিটার মিড-প্রিমিয়াম চিপসেট। এর ক্লক স্পিড 2.7 গিগাহার্টজ পর্যন্ত পৌঁছায় এবং অ্যানটুটু বেঞ্চমার্কে স্কোর ১০ লক্ষের বেশি, যা এই বাজেট সেগমেন্টের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী।কোম্পানি দাবি, এই চিপসেট গেমিং চলাকালীন CPU ও GPU-এর রেসপন্সিভনেস উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। তীব্র লোডের সময়ও পারফরম্যান্স স্থিতিশীল থাকে এবং তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও উন্নত করা হয়েছে।

Note 60 Pro-এর সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো হলো এর রিয়ার সেকেন্ডারি ডিসপ্লে। ফোনের পেছনে একটি LED প্যানেল রয়েছে যা বিভিন্ন অ্যানিমেশন প্রদর্শন করতে পারে। ইনফিনিক্স এর আগে বিভিন্ন ডিজাইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে, কিন্তু এই ধরনের LED অ্যানিমেশন ডিসপ্লে তাদের পোর্টফোলিওতে বেশ নতুন।

আগামী 13 এপ্রিল ভারতে লঞ্চ হতে যাওয়া Infinix Note 60 Pro হবে প্রথম কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন-চালিত স্মার্টফোন।
আগামী 13 এপ্রিল ভারতে লঞ্চ হতে যাওয়া Infinix Note 60 Pro হবে প্রথম কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন-চালিত স্মার্টফোন।

Call of Duty: Mobile কোলাবোরেশন ও গেমিং সার্টিফিকেশন

Infinix Note 60 Pro-তে Call of Duty: Mobile-এর সাথে একটি বিশেষ কোলাবোরেশন যুক্ত করা হয়েছে। ফোনটির UI-তে COD-এর বিখ্যাত চরিত্র Ghost-এর থিম থেকে অনুপ্রাণিত ভিজ্যুয়াল কাস্টমাইজেশন থাকবে।

শুধু থিমেই সীমাবদ্ধ নয়, Activision Publishing ডিভাইসটিকে COD Mobile-এ স্থিতিশীল 120 FPS গেমপ্লে-র জন্য অফিশিয়ালি সার্টিফাই করেছে। ফোনে একটি ডেডিকেটেড কুলিং সিস্টেমও থাকছে, যা দীর্ঘ গেমিং সেশনে ডিভাইস অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে রক্ষা করবে। ইনফিনিক্স এবার সরাসরি সেই গেমারদের লক্ষ্য করছে যারা ফ্ল্যাগশিপ ফোনের দাম না দিয়েও প্রিমিয়াম গেমিং অভিজ্ঞতা চান। JBL টিউনিং-এর মাধ্যমে স্পেশিয়াল সাউন্ড সিস্টেম যুক্ত করা হয়েছে।

ওয়ান-ট্যাপ AI বাটন:

ডিভাইসটিতে একটি ডেডিকেটেড AI বাটন যুক্ত হচ্ছে, যা বর্তমান স্মার্টফোন ইন্ডাস্ট্রির সামগ্রিক প্রবণতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এক ট্যাপেই AI ফিচারে প্রবেশের সুবিধা ব্যবহারকারীর কাজকে দ্রুততর করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইনফিনিক্সের মতে, এটি পারফরম্যান্স অপ্টিমাইজেশন, ক্যামেরা প্রসেসিং এবং স্মার্ট শর্টকাটের মতো ফিচারগুলোকে আরও সহজ করে তুলবে। বিস্তারিত ফিচার তালিকা লঞ্চের দিন প্রকাশ পাবে।

  • মিড-রেঞ্জ বাজেটে শক্তিশালী গেমিং পারফরম্যান্স চান
  • ফোনের বাহ্যিক ডিজাইনে ভিন্নতা পছন্দ করেন
  • COD Mobile বা এই ধরনের গ্রাফিক্স-নির্ভর গেম খেলেন

ক্যামেরার মান, সফটওয়্যার আপডেট নীতি, ব্যাটারি ক্যাপাসিটি এবং দাম — এই তথ্যগুলো এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তাই 13 এপ্রিলের লঞ্চ ইভেন্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

আরও পড়ুন: Xiaomi 17 Max আসছে 8,000mAh ব্যাটারি ও 200MP ক্যামেরা নিয়ে—নতুন ফ্ল্যাগশিপে বড় চমক

Xiaomi 17 Max আসছে 8,000mAh ব্যাটারি ও 200MP ক্যামেরা নিয়ে—নতুন ফ্ল্যাগশিপে বড় চমক

Xiaomi 17 Max: বিশাল Battery ও বড় Display নিয়ে আসছে Xiaomi-র নতুন ফ্ল্যাগশিপ

Xiaomi এই বছর ফ্ল্যাগশিপ সিরিজে একের পর এক চমক দিয়ে চলেছে। Xiaomi 17, Xiaomi 17 Pro, Xiaomi 17 Pro Max এবং Xiaomi 17 Ultra — এই চারটি মডেল বাজারে ঝড় তুলেছে। এবার আসছে Xiaomi 17 Maxএর পঞ্চম সিরিজ। X-এ পরিচিত tipster Kartikay Singh জানিয়েছেন, ফোনটি আগামী মাসেই চীনে officially লঞ্চ হতে পারে। এখনও Xiaomi-র তরফ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে ফাঁস হওয়া তথ্যগুলো বেশ জোরালো ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Xiaomi 17 Max: বিশাল Battery ও বড় Display নিয়ে আসছে Xiaomi-র নতুন ফ্ল্যাগশিপ
                                                                                                            Xiaomi 17 Max: বিশাল Battery ও বড় Display নিয়ে আসছে Xiaomi-র নতুন ফ্ল্যাগশিপ

Xiaomi 17 Max Design

design নিয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। তবে leaked তথ্য বলছে, এটি দেখতে অনেকটা standard Xiaomi 17-এর মতোই হবে। অর্থাৎ Xiaomi 17 Pro বা Pro Max-এ যে secondary display দেখা যায়, সেটি এখানে থাকবে না।

Xiaomi 17 Max Display

জানা যাচ্ছে 6.9-inch OLED Display, যার refresh rate হবে 120Hz। এই screen size Xiaomi 17 Pro Max এবং Xiaomi 17 Ultra-র মত বড় স্ক্রিন।

Xiaomi 17 Max Performance

Performance-এর দিক থেকে থাকবে Snapdragon 8 Elite Gen 5 — যা বর্তমান Android বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী mobile processor-গুলোর মধ্যে একটি। এই চিপসেট ইতিমধ্যে Xiaomi 17 সিরিজের অন্যান্য ফোনেও রয়েছে, তাই performance-এ কোনো পার্থক্য পাওয়া যাবে না। Multitasking, heavy gaming, 4K video editing — যেকোনো কাজেই এই processor অনায়াসে এগিয়ে থাকবে। 6.9-inch বড় screen-এর সঙ্গে এই processor মিলে একটি অসাধারণ user experience তৈরি করবে বলেই আশা করা যায়।

Xiaomi 17 Max Camera

Camera বিভাগে এ থাকতে পারে triple camera setup:

  • 200MP Primary Sensor
  • 50MP Ultra-wide Lens
  • 50MP Periscope Telephoto Lens

তবে এই camera-তে Leica tuning থাকবে কিনা, সেটা এখনও নিশ্চিত নয়। Xiaomi 17 সিরিজের অন্য ফোনগুলোতে Leica-র সঙ্গে partnership-এর সুফল দেখা গেছে, কিন্তু Xiaomi 17 Max-এর ক্ষেত্রে এটি থাকবে কিনা তা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ছাড়া বলা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যান — 28 দিনের ঝামেলা শেষ, পুরো মাসের মেয়াদ ও গুগল জেমিনি প্রো ফ্রি

Xiaomi 17 Max Battery & Charging

ফোনটিতে থাকবে বিশাল 8,000mAh Battery — যা এই সিরিজের মধ্যে সবচেয়ে বড়। এমনকি Xiaomi 17 Pro Max-এর 7,500mAh battery-র তুলনায়ও বড়। Charging- থাকবে 100W Wired Fast Charging এবং 50W Wireless Charging সাপোর্ট।

Xiaomi 17 Max Price Details

দাম নিয়ে এখনও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ পায়নি, তবে এটি যেহেতু secondary display ছাড়া আসছে এবং Pro Max বা Ultra মডেলের তুলনায় কিছুটা সরল ডিজাইনের হবে, তাই দাম তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম হতে পারে বলেই ধারণা। চীনে লঞ্চের পর global বা ভারতীয় বাজারে কবে আসবে, সেটাও এখনও অনিশ্চিত। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরেই দাম ও availability সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। যারা এই ফোনটির জন্য আগ্রহী, তাদের Xiaomi-র official channel-এ নজর রাখতে হবে

Xiaomi 17 Series আগের মডেলগুলো

Xiaomi 17 সিরিজ এই বছর বেশ ধুমধাম করেই শুরু হয়েছিল। Standard Xiaomi 17-এ compact design এবং সাশ্রয়ী মূল্যে flagship-level performance দেওয়ার চেষ্টা ছিল। Xiaomi 17 Pro-তে এলো আরও উন্নত camera এবং secondary display। Xiaomi 17 Pro Max বড় battery এবং বড় screen নিয়ে হাজির হলো, এবং Xiaomi 17 Ultra হলো সিরিজের সর্বোচ্চ মডেল — সেরা Leica camera, সবচেয়ে উন্নত build quality এবং premium price-সহ। এই চারটি ফোনই Snapdragon 8 Elite Gen 5 চিপসেট ব্যবহার করে, তাই performance-এ কোনো পার্থক্য নেই। পার্থক্য মূলত display design, camera capability এবং battery-তে।

তথ্যসূত্র: Tipster Kartikay Singh (X), leaked specifications — আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে সব তথ্য পরিবর্তনযোগ্য।

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যান — 28 দিনের ঝামেলা শেষ, পুরো মাসের মেয়াদ ও গুগল জেমিনি প্রো ফ্রি

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যানে পাচ্ছেন পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ, দৈনিক 1.5 জিবি ডেটা এবং 18 মাসের গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে। জানুন জিও 339 বনাম 349 প্ল্যানের পার্থক্য।

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যান — পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ এবং গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে

রিলায়েন্স জিও এবার তার প্রিপেইড গ্রাহকদের জন্য একটি নতুন প্ল্যান চালু করেছে, যার দাম ধরা হয়েছে 339 টাকা। এই প্ল্যানটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কারণ এখানে 28 দিনের plan এর বাইরে গিয়ে পুরো এক ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, কোনো গ্রাহক যদি মাসের ১০ তারিখে রিচার্জ করেন, তাহলে পরের মাসের ঠিক ১০ তারিখে তাঁর প্ল্যানের মেয়াদ শেষ হবে — মাসটি ৩০ দিনের হোক বা ৩১ দিনের।

দেশের টেলিকম বাজারে দীর্ঘদিন ধরে ২৮ দিনের প্ল্যান নিয়ে গ্রাহকদের একটি বড় অভিযোগ ছিল। বছরে ১৩ বার রিচার্জ করতে হওয়ার ঝামেলা এবং মাসের শেষ দিনগুলোতে ডেটা শেষ হয়ে যাওয়ার সমস্যা অনেককেই ভোগান্তিতে ফেলত। জিওর এই নতুন উদ্যোগ সেই পুরনো সমস্যার একটি সরাসরি সমাধান।

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যানে পাচ্ছেন পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ, দৈনিক 1.5 জিবি ডেটা এবং 18 মাসের গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে।
জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যানে পাচ্ছেন পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ, দৈনিক 1.5 জিবি ডেটা এবং 18 মাসের গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে।

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যান — কি কি সুবিধা দেবে

দাম : ৩৩৯ টাকা — ৩৪৯ টাকার প্ল্যানের চেয়ে ১০ টাকা সস্তা

মেয়াদ: পুরো এক ক্যালেন্ডার মাস (৩০ বা ৩১ দিন)

দৈনিক ডেটা: ১.৫ জিবি

কলিং: সমস্ত নেটওয়ার্কে আনলিমিটেড

এসএমএস: প্রতিদিন ১০০টি

গুগল জেমিনি প্রো সাবস্ক্রিপশন: ১৮ মাসের জন্য বিনামূল্যে

জিওএআইক্লাউডে ৫ টিবি স্টোরেজ এবং জিওটিভি অ্যাক্সেস

জিওর 349 টাকার প্ল্যানে প্রতিদিন ২ জিবি ডেটা পাওয়া যায়, তবে সেটি মাত্র ২৮ দিনের জন্য। নতুন ৩৩৯ টাকার প্ল্যানে দৈনিক ডেটার পরিমাণ কিছুটা কম — ১.৫ জিবি — কিন্তু মেয়াদ বেশি। হিসাব করলে দেখা যায়, ৩০ বা ৩১ দিনের মাসে এই প্ল্যানে গ্রাহকরা মোটের ওপর বেশি ডেটা পাবেন, কারণ অতিরিক্ত দিনগুলোতেও প্রতিদিনের কোটা চালু থাকে। যে গ্রাহকরা প্রতিদিন গড়ে ১.৫ জিবির কম ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এই প্ল্যানটিই বেশি সাশ্রয়ী।

৩৩৯ টাকার প্ল্যানের একটি অতিরিক্ত সুবিধা হলো গুগল জেমিনি প্রো-র ১৮ মাসের বিনামূল্যে অ্যাক্সেস। তবে এই সুবিধা পেতে হলে গ্রাহককে একটি শর্ত মেনে চলতে হবে — সক্রিয় প্ল্যানে প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ জিবি ডেটা এবং সর্বনিম্ন ২৯৯ টাকার প্ল্যান বজায় রাখতে হবে। কেউ যদি পরবর্তীতে সস্তা কোনো প্ল্যানে চলে যান, তাহলে জেমিনি প্রো অ্যাক্সেস স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। জিওএআইক্লাউডে 5 টিবি স্টোরেজের সুবিধাটিও একইভাবে শর্তসাপেক্ষ। গ্রাহকদের এই বিষয়টি মাথায় রেখে ভবিষ্যতের রিচার্জ পরিকল্পনা করা উচিত।

জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যানে পাচ্ছেন পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ, দৈনিক 1.5 জিবি ডেটা এবং 18 মাসের গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে।
জিওর নতুন 339 টাকার প্ল্যানে পাচ্ছেন পুরো ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ, দৈনিক 1.5 জিবি ডেটা এবং 18 মাসের গুগল জেমিনি প্রো বিনামূল্যে।

ভারতের টেলিকম বাজারে এই মুহূর্তে প্রতিযোগিতা তীব্র। এয়ারটেলের সবচেয়ে সস্তা প্রিপেইড প্ল্যানটির দাম ৩৯৯ টাকা, আর ভোডাফোন আইডিয়া বা ভিআই-এর সমতুল্য প্ল্যানে খরচ পড়ে ৩৪৯ টাকা। সেই হিসাবে জিওর ৩৩৯ টাকার প্ল্যানটি বাজারে সবচেয়ে সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। পাশাপাশি, ক্যালেন্ডার মাসের মেয়াদ এবং গুগল জেমিনি প্রো অন্তর্ভুক্তি এই প্ল্যানকে একটি আলাদা মাত্রা দিচ্ছে।

যাঁরা মাসে মাসে নির্দিষ্ট তারিখে রিচার্জ মনে রাখতে পছন্দ করেন, প্রতিদিন সাধারণ ব্রাউজিং বা সোশ্যাল মিডিয়ার বাইরে খুব বেশি ডেটা ব্যবহার করেন না এবং গুগল জেমিনি বা ক্লাউড স্টোরেজের মতো এআই সরঞ্জামে আগ্রহী — তাদের জন্য ৩৩৯ টাকার এই প্ল্যানটি স্বাভাবিক পছন্দ। বিপরীতে, যারা প্রতিদিন ভারী ডেটা ব্যবহার করেন, তাদের ৩৪৯ টাকার প্ল্যানে থাকাই বেশি যুক্তিসঙ্গত।

আরও পড়ুন: OnePlus Nord 6 Review: 9,000mAh ব্যাটারি ও Snapdragon 8 Gen 4—মিড-রেঞ্জে বড় চমক

OnePlus Nord 6 Review: 9,000mAh ব্যাটারি ও Snapdragon 8 Gen 4—মিড-রেঞ্জে বড় চমক

OnePlus Nord 6 Review

OnePlus এবার সরাসরি চ্যালেঞ্জ করতে নামছে তাদের নতুন OnePlus Nord 6 দিয়ে। 9,000mAh-র বিশাল ব্যাটারি, flagship-grade processor আর উন্নত camera system — এই ফোনটা শুধু spec sheet-এ নয়, বাস্তব ব্যবহারেও আলাদা হতে পারে বলেই মনে হচ্ছে। চলুন বিস্তারিত দেখে নেওয়া যাক।

OnePlus Nord 6 Review

OnePlus Nord সিরিজ শুরু থেকেই এমন ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি হয়েছে, যারা বেশি টাকা খরচ না করেও ভালো অভিজ্ঞতা চান। প্রাথমিক hands-on রিপোর্ট বলছে, এবার OnePlus সত্যিকার অর্থেই মিড-রেঞ্জ ব্যবহারকারীদের প্রত্যাশার মানদণ্ড বদলে দিতে চাইছে। শুধু ব্যাটারি বা camera নয় — পুরো package হিসেবে Nord 6 প্রতিযোগী হয়ে উঠছে।

OnePlus Nord 6 Design

Nord 6-এর ডিজাইনে OnePlus তাদের premium look বজায় রেখেছে, কিন্তু এবার durability-র দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। ফোনটিতে IP66/IP68/IP69 water resistance রয়েছে, অর্থাৎ জল থেকে রক্ষা korbe। এর পাশাপাশি MIL-STD-810H compliance থাকায় চরম তাপমাত্রা, ধুলো বা আকস্মিক ধাক্কা সামলাতেও এই ফোন সক্ষম।

OnePlus Nord 6 Display

Nord 6-এ সর্বোচ্চ 1,800 nits brightness সহ এই panel উজ্জ্বল রোদেও স্বচ্ছভাবে দেখা যাবে। screen-এর উপর সুরক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে Gorilla Glass Victus+।

সর্বোচ্চ brightness: 1,800 নিটস

সুরক্ষা: Gorilla Glass Victus+

গেমিং refresh rate: 165fps পর্যন্ত সাপোর্ট

Display panel শক্তিশালী হওয়ায় গেমিং, streaming বা সাধারণ browsing — সবক্ষেত্রেই চোখের আরাম থাকবে।

OnePlus Nord 6 Performance

OnePlus Nord 6-এ ব্যবহার করা হয়েছে Qualcomm Snapdragon 8 Gen 4 chipset — যেটা সাধারণত ৫০ হাজার টাকার উপরের flagship ফোনে দেখা যায়।

LPDDR5X RAM — দ্রুত multitasking-এর জন্য

UFS 4.1 storage — app load এবং file transfer-এ অসাধারণ গতি

165fps gaming support — BGMI, Free Fire বা Call of Duty-তে একেবারে smooth অভিজ্ঞতা

গেমারদের কথা মাথায় রেখেই এই configuration সাজানো হয়েছে। তবে শুধু গেমিং নয়, heavy multitasking বা বড় apps চালাতেও এই combination দুর্দান্ত কাজ করবে। Software দিক থেকে ফোনটি Android 16-এর উপর ভিত্তি করে তৈরি OxygenOS 16-এ চলবে, যেখানে AI-powered tools এবং smart features প্রতিদিন ব্যবহারকে আরও সহজ করে তুলবে।

OnePlus Nord 6 Camera

Camera বিভাগে Nord 6 বেশ কয়েকটি upgrade পেয়েছে।

Rear Camera Setup:

50MP Sony primary sensor — Optical Image Stabilization (OIS) সহ

8MP secondary camera

Front Camera:

32MP selfie camera

Sony sensor ব্যবহারের ফলে low-light photography-তে ভালো result আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। OnePlus জানিয়েছে যে advanced image processing technology ব্যবহার করে কালার accuracy এবং detail আরও উন্নত করা হয়েছে। Video recording-এর ক্ষেত্রেও এই camera system শক্তিশালী হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য full review-এর অপেক্ষা করতে হবে।

OnePlus Nord 6 Battery & Charging

এটাই Nord 6-এর সবচেয়ে বড় 9,000mAh battery — দেওয়া হয়েছে।OnePlus-এর দাবি অনুযায়ী, একবার সম্পূর্ণ চার্জে এই ফোন 2.5 দিনেরও বেশি চলতে পারে। 80W fast charging সাপোর্টের কারণে এই বিশাল ব্যাটারি দ্রুত সময়ের মধ্যে charge হয়ে যাবে।

OnePlus Nord 6 Launch Price Details

OnePlus Nord 6-এর official launch price এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে Snapdragon 8 Gen 4 এবং 9000mAh battery-র মতো flagship-grade feature বিবেচনা করলে এটি mid-range segment-এর উপরের দিকে অবস্থান করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। সঠিক price এবং availability-র জন্য OnePlus-এর official announcement-এর অপেক্ষায় থাকুন।

OnePlus Nord-এর আগের মডেলগুলো — Nord 2, Nord 3, Nord 4 — প্রতিটিই নিজের সময়ে ভালো ফোন ছিল। কিন্তু Nord 6 সেই তুলনায় অনেকটাই বড় লাফ দিয়েছে। 50MP Sony camera, Gorilla Glass Victus+ display, Snapdragon 8 Gen 4 processor এবং 9000mAh battery — এই combination আগের কোনো Nord মডেলে ছিল না। যারা মিড-রেঞ্জ বাজেটে সত্যিকারের powerful একটা ফোন খুঁজছেন, তাদের জন্য Nord 6 এবার সিরিয়াসলি বিবেচনার যোগ্য একটি বিকল্প হয়ে উঠছে।

আরও পড়ুন: মাত্র 30,000-এর নিচে পাওয়া যাবে পেছনে Mini Display সহ এই 5G ফোন — Infinix Note 60 Pro 5G ভারতে আসছে

মাত্র 30,000-এর নিচে পাওয়া যাবে পেছনে Mini Display সহ এই 5G ফোন — Infinix Note 60 Pro 5G ভারতে আসছে

Infinix আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, Infinix Note 60 Pro 5G ভারতে April 13, 2026 তারিখে লঞ্চ হবে। কোম্পানির ওয়েবসাইটে টিজার ও কাউন্টডাউন টাইমার ইতিমধ্যে চালু হয়েছে।

মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোনের বাজারে Infinix একটি চমক নিয়ে আসছে। মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (MWC) 2026-এ Infinix Note 60 Ultra লঞ্চের পর থেকেই এই সিরিজের ফোনগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এবার সেই একই মডেলের, Note 60 Pro, ভারতে আসতে চলেছে। টিপস্টার Paras Guglani-র তথ্য অনুযায়ী এবং Infinix-এর নিজস্ব ওয়েবসাইটের কাউন্টডাউন দেখে বলা যাচ্ছে, এই ফোনটি April 13, 2026 তারিখে ভারতে আত্মপ্রকাশ করবে। দাম 30,000-এর নিচে, থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে

Infinix আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, Infinix Note 60 Pro 5G ভারতে April 13, 2026 তারিখে লঞ্চ হবে।
Infinix আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, Infinix Note 60 Pro 5G ভারতে April 13, 2026 তারিখে লঞ্চ হবে।

Infinix Note 60 Pro 5G-এর পেছনের অংশে ফোনটির ক্যামেরা মডিউলের পাশেই রয়েছে একটি Active Matrix Secondary Display, যা দেখতে অনেকটা Nothing Phone (3)-এর Glyph Matrix-এর মতো। এই ছোট্ট ডিসপ্লেটি শুধু আলো জ্বালায় না, বরং নোটিফিকেশন, কল অ্যালার্ট, মেসেজ এবং রিমাইন্ডার দেখাতে পারে। এছাড়াও এতে Pixel Pets নামে একটি ফিচার রয়েছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা এই ডিসপ্লেতে ছোট্ট অ্যানিমেটেড ক্যারেক্টার রাখতে পারবেন। Call of Duty Mobile-এর সাথে একটি সম্ভাব্য কোলাবোরেশনও থাকছে, যা গেমারদের কাছে এই ফোনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে।

Infinix Note 60 Pro 5G-এ রয়েছে একটি 6.78-inch 1.5K AMOLED Display, রেজোলিউশন 1208 x 2644 144Hz অ্যাডাপ্টিভ রিফ্রেশ রেট মানে স্ক্রোলিং ও গেমিং দুটোতেই ঝামেলাহীন উপভোগ করতে পারবেন। সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা 4500 nits, যা সরাসরি রোদে ব্যবহারের সময়ও ডিসপ্লে পরিষ্কার দেখা যাবে। Screen সুরক্ষার জন্য রয়েছে Gorilla Glass 7i, যা ডিসপ্লেকে আঁচড় ও আঘাত থেকে রক্ষা করে।

পারফরম্যান্সের দিক থেকে Note 60 Pro 5G-এ রয়েছে Qualcomm Snapdragon 7s Gen 4 SoC, সাথে  12GB RAM। এই চিপসেটটি মিড-রেঞ্জ সেগমেন্টের জন্য একটি যোগ্য পছন্দ।12GB পর্যন্ত RAM থাকায় ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ক্র্যাশ বা স্লো-ডাউনের সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে।

Infinix Note 60 Pro 5G-এ মূল ক্যামেরা হিসেবে রয়েছে একটি 50MP Primary Sensor, পাশাপাশি 8MP Ultra-Wide লেন্স। সেলফির জন্য সামনে রয়েছে 13MP Front Camera। দিনের আলোতে 50MP সেন্সর ভালো ডিটেইল ধরে রাখবে। তবে ক্যামেরা পারফরম্যান্সের চূড়ান্ত বিচার করতে হলে হাতে নিয়ে পরীক্ষা করা দরকার। এই দামের ফোনে এই ক্যামেরা সেটআপ মোটামুটি প্রত্যাশিতই, এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য যথেষ্ট। Battery দিক থেকে Note 60 Pro-তে রয়েছে 6500mAh। চার্জিংয়ের ক্ষেত্রে রয়েছে 90W Wired Fast Charging। কিন্তু এতে 30W Wireless Charging সাপোর্ট করে

Infinix Note 60 Pro 5G price in India

টিপস্টার Paras Guglani-র তথ্য মতে, Infinix Note 60 Pro 5G-এর দাম ভারতে ₹30,000-এর নিচে রাখা হবে। এই দামে Active Matrix Secondary Display, 30W Wireless Charging, 144Hz 1.5K AMOLED এবং 6500mAh ব্যাটারি। এই দামে Redmi Note 14 Pro, Samsung Galaxy A-সিরিজ বা Realme-এর কিছু মডেলের সাথে এর তুলনা হবে। কিন্তু পেছনের Secondary Display ও Wireless Charging এই ফোনকে অন্য ফোনের থেকে আলাদা রাখছে।

আরও পড়ুন: চীনে লঞ্চ হল OPPO K15 Pro ও K15 Pro+, 8,000mAh ব্যাটারি, কুলিং ফ্যান ও Dimensity SoC—গেম খেললেও আর গরম হবে না!

চীনে লঞ্চ হল OPPO K15 Pro ও K15 Pro+, 8,000mAh ব্যাটারি, কুলিং ফ্যান ও Dimensity SoC—গেম খেললেও আর গরম হবে না!

OPPO K15 Pro এবং K15 Pro+ চীনে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হয়েছে।

চীনের বাজারে OPPO K13 Turbo সিরিজের উত্তরসূরি হিসেবে এসেছে OPPO K15 Pro এবং K15 Pro+। নতুন এই দুটি ফোনে পারফরম্যান্সকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে এবং এবার প্রথমবারের মতো OPPO সম্পূর্ণভাবে MediaTek চিপসেটের উপর ভরসা রেখেছে। আজকের প্রতিবেদনে সম্পূর্ণ বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হল

OPPO K15 Pro এবং K15 Pro+ চীনে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হয়েছে।
OPPO K15 Pro এবং K15 Pro+ চীনে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হয়েছে।

Design: Cyberpunk লুক

দুটি ফোনই দেখতে প্রায় একইরকম এবং উভয় ফোনেই রয়েছে একটি রিয়ার ক্যামেরা মডিউল। ব্যাক প্যানেলে রয়েছে বিশেষ “Lanying Breathing LED Lights”, যা ইনকামিং কল এবং নোটিফিকেশনে সাড়া দিতে পারে। কালারের দিক থেকে ফোন দুটি Cyber Wings, Origin Grey এবং Photodust শেডে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া শুধুমাত্র K15 Pro-এর জন্য আলাদাভাবে রয়েছে Golden Legend রঙটি। এই ফোন দুটি IP69 সার্টিফিকেশন পেয়েছে, যা পূর্বসূরির IPX9 রেটিং থেকে উন্নত এবং ধুলো ও জল প্রতিরোধে আরও বেশি সুরক্ষা দেয়। সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো ফোন দুটির ভেতরে থাকা বিল্ট-ইন সক্রিয় কুলিং ফ্যান, যা দীর্ঘ গেমিং সেশনেও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম। সাথে রয়েছে একটি বড় আকারের Vapor Chamber কুলিং সিস্টেম, যা একসাথে কাজ করে ফোনকে ঠান্ডা রাখে।

Display: AMOLED প্যানেল

দুটি মডেলের ডিসপ্লেতেই রয়েছে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য। Pro+-এ রয়েছে 6.78-ইঞ্চির AMOLED প্যানেল, যার রিফ্রেশ রেট 165Hz এবং সুরক্ষার জন্য রয়েছে একটি Ultrasonic In-Display Fingerprint Scanner। অন্যদিকে স্ট্যান্ডার্ড K15 Pro-তে রয়েছে কিছুটা ছোট 6.59-ইঞ্চির AMOLED ডিসপ্লে, যার রিফ্রেশ রেট 144Hz। দুটি ফোনেই সেলফি ক্যামেরার জন্য মাঝখানে রয়েছে Punch-hole cutout।

Performance: MediaTek

K15 Pro+ ব্যবহার করছে MediaTek Dimensity 9500s SoC, যা সম্প্রতি POCO X8 Pro Max-এ দেখা গেছে। এটি একটি Sub-flagship মানের চিপসেট, যা ভারী মাল্টিটাস্কিং থেকে শুরু করে একটানা গেমিং পর্যন্ত সবকিছু অনায়াসে সামলাতে পারে। স্ট্যান্ডার্ড K15 Pro-তে রয়েছে MediaTek Dimensity 8500 Super চিপসেট — এবং এই ফোনের মাধ্যমেই Dimensity 8500 ‘Super’ ব্র্যান্ডিং সহ বিশ্বব্যাপী প্রথমবার আত্মপ্রকাশ করলো।”দুটি ডিভাইসেই 12GB LPDDR5X RAM রয়েছে — K15 Pro-তে UFS 3.1 এবং K15 Pro+-এ UFS 4.1 স্টোরেজ, যা দ্রুত ডেটা রিড-রাইট নিশ্চিত করে।”স্টোরেজ অপশন হিসেবে উভয় মডেলে 256GB এবং 512GB পাওয়া যাচ্ছে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বড় Vapor Chamber কুলিং সিস্টেমের পাশাপাশি বিল্ট-ইন ফ্যান সক্রিয়ভাবে তাপ বের করে দেওয়ার কাজ করে। সফটওয়্যারের দিক থেকে উভয় ফোনেই Android 16-ভিত্তিক ColorOS 16 আগে থেকে ইনস্টল করা আছে। Connectivity-তে রয়েছে USB Type-C, 5G, Dual 4G VoLTE, Wi-Fi 6, Bluetooth 5.4, NFC এবং GPS।

Camera:

এই দুটি স্মার্টফোনে রয়েছে Dual Rear Camera Setup — একটি 50MP প্রাইমারি সেন্সর এবং সাথে 8MP Ultra-wide লেন্স।আগে K13 Turbo সিরিজে যে 2MP Monochrome সেন্সর ছিল, তার চেয়ে এই সমন্বয় অনেক বেশি ব্যবহারিক। সামনের দিকে সেলফি ও ভিডিও কলের জন্য রয়েছে 16MP ফ্রন্ট ক্যামেরা।

Battery & Charging: ব্যাটারি, দ্রুত চার্জিং

K15 Pro-তে রয়েছে 7,500mAh ব্যাটারি এবং K15 Pro+-এ আরও বেশি এগিয়ে 8,000mAh ব্যাটারি। একটি গেমিং ফোনে এত বড় ব্যাটারি থাকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। চার্জিংয়ের ক্ষেত্রে উভয় মডেলে 80W Wired Fast Charging সাপোর্ট রয়েছে।

Price Details: চীনে দাম জানুন

এই দুটি ফোন বর্তমানে শুধুমাত্র চীনের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। চীনে K15 Pro-এর বেস ভ্যারিয়েন্টের দাম CNY 2,999, যা ভারতীয় টাকায় প্রায় 41,000 টাকার কাছাকাছি। অন্যদিকে K15 Pro+-এর বেস ভ্যারিয়েন্টের দাম রাখা হয়েছে CNY 3,499, যা ভারতীয় টাকায় আনুমানিক 47,000 টাকার মতো। ভারতে লঞ্চের বিষয়ে OPPO এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে এই বছরের শেষের দিকে ভারতের বাজারে এই ফোন দুটি আসতে পারে। এই মুহূর্তে গেমিং-কেন্দ্রিক Mid-range ফোন খুঁজলে থাকলে POCO X8 Pro Max, iQOO 15R বা OPPO K13 Turbo সিরিজ Perfact।

OPPO K13 Turbo সিরিজ গত বছর যখন লঞ্চ হয়েছিল, তখন তার 120Hz AMOLED ডিসপ্লে, IPX9 ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স এবং তুলনামূলক ছোট ব্যাটারি ছিল। ক্যামেরায় ছিল 50MP প্রাইমারি সেন্সরের সাথে একটি অপ্রয়োজনীয় 2MP Monochrome সেন্সর। নতুন K15 Pro সিরিজ সংশোধন করে— 144Hz ও 165Hz ডিসপ্লে, উন্নত IP69 রেটিং, বড় ব্যাটারি এবং আরও মজবুত চিপসেট দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ গেমিং সিরিজ তৈরি করা হয়েছে। তবে ক্যামেরার ক্ষেত্রে দুটি সিরিজের মূল কাঠামো প্রায় একই থেকেছে — 50MP প্রধান সেন্সর এবং একটি সেকেন্ডারি লেন্স।

আরও পড়ুন: Redmi Note 15 SE 5G : ২০ হাজার টাকার নিচে Snapdragon 6 Gen 3 ও বড় ব্যাটারি — লঞ্চের আগেই সব তথ্য জানুন

Redmi Note 15 SE 5G : ২০ হাজার টাকার নিচে Snapdragon 6 Gen 3 ও বড় ব্যাটারি — লঞ্চের আগেই সব তথ্য জানুন

Redmi Note 15 SE 5G ভারতে ২রা এপ্রিল লঞ্চ হচ্ছে। source (x)

Redmi-র Note সিরিজ-এর প্রতিটি নতুন মডেলে কোম্পানিটি চেষ্টা করে কম দামে সর্বোচ্চ সুবিধা দিতে। এবার যুক্ত হচ্ছে Redmi Note 15 SE 5G। Redmi 2রা এপ্রিল, 2026 তারিখে এই ফোনটি ভারতে আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ করা হবে। Flipkart-এ ফোনটির একটি official microsite ইতিমধ্যে চালু হয়েছে, যেখান থেকে battery, chipset, camera এবং design সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। Standard Redmi Note 15 5G-এর তুলনায় এই SE variant-টি কিছুটা ভিন্ন অবস্থানে থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে

Redmi Note 15 SE 5G ভারতে ২রা এপ্রিল লঞ্চ হচ্ছে। source (x)
Redmi Note 15 SE 5G ভারতে ২রা এপ্রিল লঞ্চ হচ্ছে। source (x)

Redmi Note 15 SE 5G-ফোনটি তিনটি আলাদা color finish-এ পাওয়া যাবে — Carbon Black, Frosted White এবং Crimson Reserve। তিনটি রঙেই vegan leather-এর back panel ব্যবহার করা হয়েছে, যা ফোনটিকে একটি premium অনুভূতি দেয়। Redmi Note 15 SE 5G-এর display সংক্রান্ত তথ্য এখনও official microsite-এ সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তবে Note 15 series-এর ধারা বজায় রেখে এই ফোনে একটি smooth refresh rate সহ Full HD+ AMOLED বা LCD panel থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ।

Performance-এর দিক থেকে Redmi Note 15 SE 5G- ফোনে রয়েছে Qualcomm-এর Snapdragon 6 Gen 3 chipset, যা Standard Redmi Note 15 5G-তেও ব্যবহার করা হয়েছে। Snapdragon 6 Gen 3 একটি আধুনিক এবং দক্ষ processor, যা daily multitasking, app switching এবং casual gaming-এ অনায়াসে সামলাতে পারে। তবে RAM-এর ক্ষেত্রে Standard মডেলের তুলনায় SE-তে কিছুটা কম configuration থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেই সাথে accessories-এর ক্ষেত্রেও কিছু পার্থক্য থাকতে পারে।

Camera বিভাগেই Redmi Note 15 SE 5G এবং Standard Note 15-এর মধ্যে পার্থক্য হল SE মডেলে রয়েছে একটি 50 Megapixel-এর primary camera sensor, যা 4K video recording সাপোর্ট করে। অন্যদিকে Standard Redmi Note 15-এ রয়েছে 108 Megapixel-এর main camera এবং একটি ultrawide lens setup।

এই ফোনে দেওয়া হয়েছে 5,800mAh-এর বড় battery, যা Standard Redmi Note 15 5G-এর 5,520mAh-এর চেয়ে বেশি। সাথে রয়েছে 45W fast charging সাপোর্ট, যা দ্রুততার সাথে ফোন চার্জ করতে সক্ষম। তবে, Realme ইতিমধ্যে P4 Power-এর মতো ফোনে 10,000mAh battery নিয়ে এসেছে এবং একই segment-এর অনেক Realme model-এ 7,000mAh battery দেওয়া হচ্ছে। সেই তুলনায় 5,800mAh এখন কিছুটা কম মনে হতে পারে। তবে বড় battery মানেই ভালো ফোন নয়।

Redmi Note 15 SE 5G Price India

Redmi Note 15 SE 5G-এর official দাম এখনও ঘোষণা করা হয়নি। তবে সম্ভাবনা রয়েছে যে এটি ২০,০০০ হাজার টাকার নিচেই থাকবে। উল্লেখ্য, Standard Redmi Note 15 5G-এর starting price ২২,৯৯৯ হাজার টাকা। SE variant-এ কিছু feature কমানো হয়েছে, তাই দামেও কিছুটা ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যারা reliable performance, ভালো battery backup এবং একটি premium feel-এর ফোন খুঁজছেন বাজেটের মধ্যে। লঞ্চের দিন Flipkart-এ সম্পূর্ণ মূল্য তালিকা প্রকাশ পাবে।

যারা ইতিমধ্যে Redmi Note 14 বা Note 13 সিরিজ যারা ব্যবহার করছেন, তাদের জন্য Note 15 SE 5G একটি অন্যরকম upgrade হতে পারে। Note 14 series-এ যে camera ও battery configuration ছিল, তার তুলনায় এই SE model-এ Snapdragon 6 Gen 3-এর মতো আরও শক্তিশালী chipset এবং বড় battery এসেছে। Display refresh rate ও charging speed-আরো ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: india bans chinese cctv: ১ এপ্রিল থেকে এই সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো ভারতে আর বিক্রি হবে না। CCTV কেনার আগে সতর্ক হোন!

india bans chinese cctv: ১ এপ্রিল থেকে এই সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো ভারতে আর বিক্রি হবে না। CCTV কেনার আগে সতর্ক হোন!

india bans chinese cctv: নিরাপত্তার ঢাল তুলে চীনা সিসিটিভিকে বাজার থেকে সরাচ্ছে ভারত

India Bans Chinese Cctv: নিরাপত্তার ঢাল তুলে চীনা সিসিটিভিকে বাজার থেকে সরাচ্ছে ভারত

১লা এপ্রিল ২০২৬ থেকে যেকোনো ইন্টারনেট-সংযুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রির আগে সরকার নির্ধারিত STQC সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক হয়ে যাবে। এই সার্টিফিকেশন ছাড়া ক্যামেরা বাজারে রাখা যাবে না। যে ব্র্যান্ডগুলো এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে না বা পরীক্ষায় অংশ নেবে না, তাদের জন্য ভারতের বিশাল বাজারে আর ব্যবসা করার সুযোগ থাকছে না। এই সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে রয়েছে মূলত চীনা প্রযুক্তির প্রতি দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা উদ্বেগ। হিকভিশন এবং দাহুয়া টেকনোলজি এখন পর্যন্ত ভারতের বাজারে সিসিটিভি সরবরাহের সবচেয়ে বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করত। টিপি-লিঙ্কও স্মার্ট হোম সেগমেন্টে যথেষ্ট প্রভাব রেখেছিল। এই নিয়মটি তাদের ব্যবসার ওপর সরাসরি আঘাত করবে।

india bans chinese cctv:  নিরাপত্তার ঢাল তুলে চীনা সিসিটিভিকে বাজার থেকে সরাচ্ছে ভারত
                                                                       india bans chinese cctv: নিরাপত্তার ঢাল তুলে চীনা সিসিটিভিকে বাজার থেকে সরাচ্ছে ভারত

এই বিষয়টি আচমকা নয়। ২০২১ সালে সরকারের নজরে আসে যে দেশের জনসাধারণের ব্যবহারে থাকা অসংখ্য সিসিটিভি ক্যামেরার উৎস চীনা প্রস্তুতকারীরা। প্রশ্ন ওঠে, এই ক্যামেরাগুলোর মাধ্যমে সংগ্রহ করা ডেটা আসলে কোথায় যাচ্ছে এবং বিদেশি সার্ভার থেকে সেগুলো অ্যাক্সেস করার সুযোগ আছে কি না। সেই সময় থেকে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা ক্রমাগত এ বিষয়ে সতর্ক করে আসছিলেন। ২০২৪ সালে সিসিটিভি ডিভাইসগুলোকে আরও কঠোর নিয়মের আওতায় আনা হয়। সেই পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় এবার বাধ্যতামূলক সার্টিফিকেশনের বিধান চালু হচ্ছে। অর্থাৎ, এটি কোনো তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং কয়েক বছর ধরে তৈরি হওয়া একটি কাঠামোবদ্ধ নীতির পরিণতি। সার্টিফিকেশন না থাকলে বিক্রি নেই। কোনো ব্যতিক্রম নেই, কোনো ছাড় নেই।

STQC পরীক্ষা আসলে কী যাচাই করে

india bans chinese cctv: STQC মানে Standardisation Testing and Quality Certification। এটি শুধু দেখে না যে ক্যামেরাটি কাজ করছে কি না। এই পরীক্ষায় ডিভাইসের ভেতরের ফার্মওয়্যার, ডেটা এনক্রিপশনের মান, অননুমোদিত প্রবেশ ঠেকানোর ক্ষমতা এবং হার্ডওয়্যারের উৎস পর্যন্ত খতিয়ে দেখা হয়। যেহেতু এই ক্যামেরাগুলো IoT ডিভাইস হিসেবে কাজ করে, তাই সেগুলো কীভাবে ইন্টারনেটে তথ্য পাঠায় এবং বাইরে থেকে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব কি না, সেটাও পরীক্ষার আওতায় পড়ে। স্থানীয়ভাবে একত্রিত করা পণ্যও এই প্রক্রিয়া থেকে ছাড় পাবে না।

যে ব্র্যান্ডগুলো আগে বাজারের সিংহভাগ ধরে রেখেছিল, তারা এখন হয় পিছিয়ে যাচ্ছে, না হয় নতুন করে তাদের ব্যবসার কৌশল ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করছে। স্মার্ট ডিভাইসগুলি শাওমি ও রিয়েলমিও তাদের ব্যবসা কমিয়ে এনেছে, কারণ এই নতুন বিধি মেনে চলা তাদের জন্য জটিল ও ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। এই খালি বাজার পূরণ করছে ভারতীয় কোম্পানিগুলো। Qubo, CP Plus, Prama, Matrix Comsec এবং Sparsh CCTV এখন বাজারের বড় অংশ নিজেদের মুঠোয় নিচ্ছে।

যে কেউ এখন সিসিটিভি কিনতে চাইলে সার্টিফিকেশনের বিষয়টি সবার আগে মাথায় রাখতে হবে। একটি ইন্টারনেট-সংযুক্ত ক্যামেরা সর্বদা ডেটা পাঠায় বা সংরক্ষণ করে। ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটা একটি অতিরিক্ত বিষয় নয়, এটি কেনাকাটার মূল শর্তের মধ্যেই পড়ে। বাড়ির জন্য Qubo ও CP Plus বিভিন্ন অ্যাপ সাপোর্ট ও স্মার্ট হোম ইন্টিগ্রেশনসহ 2,500 থেকে 5,000 টাকার মধ্যে একাধিক বিকল্প দিচ্ছে। বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য Bosch বা Honeywell সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বিকল্প হিসেবে বাজারে আছে।

india bans chinese cctv: এটি ভারতের ডিজিটাল পরিকাঠামো রক্ষার একটি বৃহত্তর কৌশলের অংশ। স্মার্ট শহর, রেলস্টেশন, বিমানবন্দর, বাজার থেকে আবাসিক এলাকা, সর্বত্র সিসিটিভির জাল ছড়িয়ে পড়েছে। এই নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য দুর্বলতার উৎস হয়ে উঠতে পারে। ভারত সেই ঝুঁকি নিতে রাজি নয়।

আরও পড়ুন: ৩১ মার্চ আসছে Lava Bold N2 Pro 4G, 5000mAh ব্যাটারি, IP54 রেটিং দাম কত হতে পারে?